নজরুল সঙ্গীত
নজরুলগীতি বা নজরুল সঙ্গীত বাংলাভাষার অন্যতম প্রধান কবি ও সংগীতজ্ঞ কাজী নজরুল ইসলাম লিখিত গান। তাঁর সীমিত কর্মজীবনে তিনি ৪,০০০-এরও বেশি গান রচনা করেছেন। পৃথিবীর কোনো ভাষায় একক হাতে এত বেশি সংখ্যক গান রচনার উদাহরণ নেই। এসকল গানের বড় একটি অংশ তাঁরই সুরারোপিত। তাঁর রচিত চল্ চল্ চল্, ঊর্ধগগনে বাজে মাদল বাংলাদেশের রণসংগীত। তাঁর কিছু গান জীবদ্দশায় গ্রন্থাকারে সংকলিত হয়েছিল যার মধ্যে রয়েছে গানের মালা, গুল বাগিচা, গীতি শতদল, বুলবুল ইত্যাদি। পরবর্তীকালে আরো গান সংগ্রন্থিত হয়েছে। তবে তিনি প্রায়শ তাৎক্ষণিকভাবে লিখতেন; একারণে অনুমান করা হয় প্রয়োজনীয় সংরক্ষণের অভাবে বহু গান হারিয়ে গেছে।
- আকুল হলি কেন বকুল বনের পাখি
- আঁখি-বারি আঁখিতে থাক, থাক ব্যথা হৃদয়ে
- আঁখিতে আঁখিতে ওরা কহে কথা
- আঁচলে হংস-মিথুন আঁকা
- আজ চোখের জলে প্রার্থনা মোর শেষ বরষের শেষে
- আজ নতুন ক’রে পড়লো মনে মনের মতনে
- আজ বাদে কাল আসবে্ কিনা
- আজ লাচনের লেগেছে যে গাঁদি গো
- আজ শেফালির গায়ে হলুদ
- আজ সুদিনের আসল ঊষা, নাই অভাব আজ নাই অভাব
- আজকে দেখি হিংসা-মদের মত্ত বারণ-রণে
- আজি এ বাদল-দিনে কত কথা মনে পড়ে
- আজি এ শ্রাবণ-নিশি কাটে কেমনে
- আজি কুসুম-দীপালি জ্বলিছে বনে
- আজি ঘুম নহে নিশি জাগরণ
- আজি দোল-ফাগুনের দোল লেগেছে
- আজি প্রথম মাধবী ফুটিল কুঞ্জে
- আজি বাদল ঝরে মোর একেলা
- আদর-গরগর বাদর দরদর
- আঁধার রাতে কে গো একেলা
- আধো ধরণী আলো আধো আঁধার
- আধো-আধো বোল লাজে-বাধো-বাধো বোল
- আনন্দ-দুলালি ব্রজ-বালার সনে
- আবু আর হাবু দুই ভায়ে ভায়ে সদাই ভীষণ দ্বন্দ্ব
- আমরা পানের নেশার পাগল
- আমরা শক্তি আমরা বল, আমরা ছাত্রদল
- আমার ‘সাম্পান’ যাত্রী না লয়
- আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন
- আমার কোন কূলে আজ ভিড়ল তরী
- আমার গহিন জলের নদী
- আমার দুখের বন্ধু, তোমার কাছে
- আমার দেশের মাটি
- আমার বিজন ঘরে হেসে এল পথিক মুসাফির-বেশে
- আমার ভাঙা নায়ের বৈঠা ঠেলে
- আমার শ্যামলা বরন বাংলা মায়ের
- আমার সোনার হিন্দুস্থান
- আমার হরিনামে রুচি কারণ পরিণামে লুচি
- আমি ‘মদিনা’ মহারাজার মেয়ে, সকলের জানা আছে
- আমি কী সুখে লো গৃহে রবো
- আমি কেন হেরিলাম নবঘনশ্যাম
- আমি ছন্দ ভুল চির-সুন্দরের
- আমি তুরগ ভাবিয়া মোরগে চড়িনু
- আমি দেখন-হাসি আমায় দেখলে পরে হাসতে হাসতে
- আমি যেদিন রইব না গো লইব চির-বিদায়
- আমি শ্রান্ত হয়ে আসব যখন পড়বো দোরে ট’লে
- আরক্ত কিংশুক কাঁপে মালতীর বক্ষ ভরি
- আরো নূতন নূতনতর শোনাও গীতি গানেওয়ালা
- আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন
- আশু-প্রয়াণ গীতি
- আসিলে কে অতিথি সাঁঝে
- আসিলে কে গো অতিথি উড়ায়ে নিশান সোনালি
- আসিলে কে গো বিদেশি দাঁড়ালে মোর আঙিনাতে
- আসে রজনী, সন্ধ্যামণির প্রদীপ জ্বলে
- আস্ল যখন ফুলের ফাগুন, গুল্-বাগে ফুল চায় বিদায়
- এ কি সুরে তুমি গান শুনালে ভিন্দেশি পাখি
- এ কুঞ্জে পথ ভুলি কোন বুলবুলি আজ
- এ কোথায় আসিলে হায়, তৃষিত ভিখারি
- এ জনমে মোদের মিলন হবে না
- এই দেহেরই রঙমহলায়
- এই নীরব নিশীথ রাতে
- একডালি ফুলে ওরে সাজাব কেমন ক’রে
- একলা ভাসাই গানের কমল সুরের স্রোতে
- একা ঝিলের জলে শালুক পদ্ম তোলে কে
- একি হাড়-ভাঙা শীত এল মামা
- একে একে সব মেরেছিস, জাতটা শুধু ছিল বাকি
- এল ফুলের মরশুম শারাব ঢালো সাকি
- এল শোকের সেই মোহররম
- এলে কী শ্যামল পিয়া কাজল মেঘে
- এলে কে গো চির-সাথী অবেলাতে
- এলো ফুলের মহলে ভোমরা গুনগুনিয়ে
- এস এস রস-লোক-বিহারী
- এসো বঁধূ ফিরে এসো
- কত কথা ছিল তোমায় বলিতে
- কত কথা ছিল বলিবার, বলা হলো না
- কত খুঁজিলাম নীল কুমুদ তোরে
- কত সে জনম কত সে লোক
- কতো জনম যাবে তোমার বিরহে
- কপোত-কপোতী উড়িয়া বেড়াই
- কহ প্রিয়ে, কেমন এ রাতি কাটাই
- কাঁদিছে তিমির-কুন্তলা সাঁঝ
- কাঁদিতে এসেছি আপনার লয়ে
- কার বাঁশরি বাজে মুলতান-সুরে
- কি হবে জানিয়া বল কেন জল নয়নে
- কী হবে লাল পাল তুলে ভাই
- কে এল ডাকে চোখ গেল
- কে তুমি দূরের সাথী
- কে নিবি ফুল কে নিবি ফুল
- কে পাঠালে লিপির দূতী
- কেন নিশি কাটালি অভিমানে
- কেন প্রাণ ওঠে কাঁদিয়া
- কেন ফোটে কেন কুসুম ঝরে যায়
- কেমনে কহি প্রিয় কি ব্যথা প্রাণে বাজে
- কেরানি আর গরুর কাঁধ
- কোকিল সাধিলি কি বাদ
- কোথা চাঁদ আমার
- কোন কুসুমে তোমায় আমি
- কোন বন হতে করেছ চুরি
- কোন্ অতীতের আঁধার ভেদিয়া আসিলে আলোক-জননী
- কোন্ দূরে ও-কে যায় চ’লে যায়
- কোন্ মরমীর মরম-ব্যথা আমার বুকে বেদনা হানে
- কোন্ মাটিতে আমার কায়া
- কোন্ সুদূরের চেনা বাঁশীর
- চম্পক-বরণী টলমল তরণী
- চল সখি জল নিতে চল ত্বরিতে
- চলো সখী জল নিতে
- চল্ চল্ চল্
- চাঁদ হেরিছে চাঁদ-মুখ তার সরসীর আরশিতে
- চাঁদের পিয়ালাতে আজি
- চাঁদের মতন রূপ পেল রূপ তোমার রৌশন্ রূপ-বিভায়
- চায়ের পিয়াসি পিপাসিত চিত আমরা চাতক দল
- চারু চপল পায়ে যায় যুবতী গোরী
- চির-কিশোর মুরলীধর কুঞ্জবন-চারী
- চৈত্র পূর্ণিমা রাত্রি, মাধবী-কানন মধুক্ষরা
- চোখের নেশার ভালোবাসা সে কি কভু থাকে গো
- তওফিক দাও খোদা ইসলামে
- তুমি আমায় ভালোবাসো তাই তো আমি কবি
- তুমি কোন পথে এলে হে মায়াবী কবি
- তুমি নন্দনপথ-ভোলা
- তুমি বর্ষায়-ঝরা চম্পা
- তুমি বাদশাহ গানের তখ্ত্ নশীন
- তুমি মলিন বসে থাক যখন, সবার চেয়ে মানায়
- তোমাদের দান তোমাদের বাণী
- তোমায় আমায় ও প্রেয়সী
- তোমার আকাশে উঠেছিনু চাঁদ
- তোমার আঁখির কসম সাকি
- তোমার কুসুম-বনে আমি আসিয়াছি ভুলে
- তোমার গানের চেয়ে তোমায় ভালো লাগে আরও
- তোমার ফুলের মতন মন
- তোমারি প্রকাশ মহান
- তোমারে কি দিয়া পূজি ভগবান
- তোরা যা লো সখি মথুরাতে
- তোরা সব জয়ধ্বনি কর
- দারুণ পিপাসায় মায়া-মরীচিকায়
- দিও ফুলদল বিছায়ে
- দিল দোলা দিল দোলা
- দুধে আলতায় রং যেন তার
- দুপুর বেলাতে একলা পথে
- দুরন্ত দুর্মদ প্রাণ অফুরান
- দুর্গম গিরি, কান্তার মরু, দুস্তর পারাবার
- দুলিবি কে আয় মেঘের দোলায়
- দুলে আলো-শতদল টলমল টলমল
- দুলে চরাচর হিন্দোল-দোলে
- দেখা দাও, দাও দেখা, ওগো দেবতা
- দোপাটি লো, লো করবী
- দোষ দিওনা প্রবীণ জ্ঞানী হেরি’ খারাব শারাব-খোর
- নখ-দন্তবিহীন চাকুরি-অধীন আমরা বাঙালি বাবু
- নতুন নেশার আমার এ মদ
- নদী এই মিনতি তোমার কাছে
- নদীর নাম সই অঞ্জনা
- নবীন বসন্তের রানি তুমি
- নমো নটনাথ! এ নাট-দেউলে
- নমো নম রাম-খুঁটি
- নাইয়া কর পার
- নাচন লাগে ঐ তরুলতায় পাতায় ফুলে
- নাচিছে নট-নাথ, শঙ্কর মহাকাল
- নাচে মাড়োবার বালা, নাচে তাকিয়া
- নাচে সুনীল দরিয়া আজি দিল-দরিয়া
- নাম-হারা ঐ গাঙের পারে বনের কিনারে
- নাহি কেহ আমার ব্যথার সাথী
- নিয়ে কাদা মাটির তাল
- নিরুদ্দেশের পথে যেদিন প্রথম আমার যাত্রা হলো শুরু
- নিশীথ নিশীথ জাগি গোঁয়ানু রাতি
- নিশীথ হয়ে আসে ভোর
- নিশীথ-স্বপন তোর
- পউষ এলো গো
- পথ চলিতে যদি চকিতে
- পথ-ভোলা কোন রাখাল ছেলে
- পথিক ওগো চলতে পথে তোমায় আমায় পথের দেখা
- পথে পথে ফেরো সাথে মোর বাঁশরীওয়ালা
- পথের দেখা এ নহে গো বন্ধু
- পরজনমে দেখা হবে প্রিয়
- পরান হরিয়া ছিলে পাশরিয়া
- পরো পরো চৈতালি-সাঁঝে কুস্মী শাড়ি
- পলাশ ফুলের মউ পিয়ে ঐ
- পানসে জোছনাতে কে চলো গো
- পায়ে বিঁধেছে কাঁটা সজনি ধীরে চল
- পাষাণ-গিরির বাঁধন টুটে
- পিও শারাব পিও
- পিয়া পাপিয়া পিয়া বোলে
- পিয়াসী প্রাণ তারে চায়
- পূর্ণ-অভিনন্দন
- পেয়ে আমি হারিয়েছি গো
- প্রিয়া গেছে কবে পরদেশ
- প্রিয়ার চেয়ে শালি ভালো, বাবার চেয়ে মামা
- বউ কথা কও, বউ কথা কও
- বকুল চাঁপার বনে কে মোর
- বদনা-গাডুতে গলাগলি করে
- বঁধু জাগাইল এ কোন্ পরম সুন্দরের তৃষা
- বন-হরিণীরে তব বাঁকা আঁখির
- বনে চলে বনমালি বনমালা দুলায়ে
- বরষ মাস যায়- সে নাহি আসে
- বহিছে সাহারায় শোকেরই লু-হাওয়া
- বাজল কিরে ভোরের সানাই
- বাজায়ে কাচের চুড়ি
- বাজায়ে জল-চুড়ি কিঙ্কিণী
- বাজিছে দামামা, বাঁধ রে আমামা
- বাজিছে বাঁশরি কার অজানা সুরে
- বাজিয়ে বাঁশি মনের বনে
- বাদল বায়ে মোর নিভিয়া গেছে বাতি
- বাসন্তী রং শাড়ি পরো খয়ের রঙের টিপ্
- বিজলি চাহনি কাজল কালো নয়নে
- বিরহের গুলবাগে মোর ভুল করে আজ
- বিরহের নিশি কিছুতে আর
- বুকে তোমায় নাই বা পেলাম
- বুকের ভিতর জ্বলছে আগুন
- বৃথা তুই কাহার পরে করিস অভিমান
- বৃন্দাবনে এ কী বাঁশরি বাজে
- বেলা-শেষে উদাস পথিক ভাবে
- বেসুর বীণায় ব্যথার সুরে
- ব্রজের দুলাল ব্রজে আবার আসবে ফিরে কবে
- ভবের এই পাশা খেলায়
- ভরিয়া পরাণ শুনিতেছি গান
- ভাঙার গান
- ভালোবাসার ছলে আমায়
- ভালোবেসে অবশেষে কেঁদে দিন গেল
- ভুবন-জয়ী তোরা কি হায়
- ভুবনে ভুবনে আজি ছড়িয়ে গেছে রঙ
- ভুল করে আসিয়াছি অপরাধ যেয়ো ভুলে
- ভুল করে কোন ফুল-বিতানে
- ভেঙো না ভেঙো না বঁধু তরুণ চামেলি-শাখা
- ভোরের হাওয়া এলে
- ভোরের হাওয়া! ধীরে ধীরে ব’লো গো সেই হরিণিরে
- ভোলো অতীত-স্মৃতি ভোলো কালা
- ভোলো প্রিয় ভোলো ভোলো আমার স্মৃতি
- মদিনা! মদিনা! কেন তোমার এত অহংকার
- মদিনা! মদিনা! মদিনা
- মদির আবেশে কে চলে ঢুলু-ঢুলু-আঁখি
- মন কার কথা ভেবে এমন উদাস করে
- মন কেন উদাসে এই ফাগুন-বাতাসে
- মন দিয়ে যে দেখি তোমায় তাই দেখিনে
- মনে যে মোর মনের ঠাকুর তারেই আমি
- মহুয়া ফুলের মদির বাসে
- মহুয়া বনে আধো নিশীথ রাতে বেণুকা বাজায়ে
- মা ষষ্ঠী গো, তোর গুষ্টির পায়ে পড়ি
- মাধবী-তলে চলো মাধবিকা-দল
- মাধবী-লতার আজি মিলন সখি
- মানবতাহীন ভারত শ্মশানে দাও মানবতা
- মারহাবা সৈয়দে মক্কি মদনি
- মালঞ্চে আজ কাহার যাওয়া-আসা
- মিলন-গান
- মুখের কথায় নাই জানালে
- মেঘের হিন্দোলা দেয় পূব-হাওয়াতে দোলা
- মোমতাজ! মোমতাজ! তোমার তাজমহল
- মোর ধেয়ানে মোর স্বপনে
- মোর পুষ্প-পাগল মাধবী কুঞ্জে
- মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী
- মোর মাধব-শূন্য মাধবী-কুঞ্জে
- মোর হৃদি-ব্যথার কেউ সাথি নাহি
- মোরা ছিনু একেলা, হইনু দু’জন
- মোরা ঝন্ঝার মত উদ্দাম
- মোহান্তের মোহ-অন্তের গান
- মোহাম্মদ মুস্তাফা সাল্লেআলা
- সই ভালো করে বিনোদ বেণি বাঁধিয়া দে
- সখি ঐ শোনো বাঁশি বাজে
- সখি বাঁধো লো বাঁধো লো ঝুলনিয়া
- সখি যায়নি তো শ্যাম মথুরায়
- সাকি! বুল্বুলি কেন কাঁদে গুল্-বাগিচায়
- সাগর আমায় ডাক দিয়েছে
- সাগর হতে চুরি ডাগর তব আঁখি
- সাত ভাই চম্পা জাগো রে
- সাধ জাগে মনে পর-জীবনে
- সামলে চলো পিছল পথ গোরী
- সাম্পানের গান
- সাহারাতে ডেকেছে আজ বান
- সুরের ধারার পাগল-ঝোরা
- সৃজন ভোরে প্রভু মোরে
- সেই পুরানো সুরে আবার গান গেয়ে কে যায় নিতি
- সেদিনো প্রভাতে রাতুল শোভাতে
- সোনার মেয়ে! সোনার মেয়ে
- স্বদেশ আমার! জানি না তোমার
- স্বপ্নে দেখেছি ভারত-জননী
বাংলা
English