রবীন্দ্র সঙ্গীত
রবীন্দ্র সঙ্গীত বাংলা সংগীতের এক অনন্য এবং হৃদয়স্পন্দন ধারা, যা মহাকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত সুর ও কথায় জীবন, প্রকৃতি, প্রেম এবং মানুষের গভীর অনুভূতির ছোঁয়া মিশে থাকে। এই ক্যাটাগরিতে আপনি পাবেন রবীন্দ্র সঙ্গীতের শ্রেষ্ঠ গান, যেগুলো বাংলা সংস্কৃতির অমূল্য ধন এবং বিভিন্ন সময়ের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটের সাথে আবদ্ধ। প্রতিটি গান শুধুমাত্র সুর নয়, বরং জীবনের নানা দিক নিয়ে ভাবনার সেতুবন্ধন, যা শ্রোতার মনকে স্পর্শ করে। এখানে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীতকর্মের বিস্তৃত সংগ্রহ আপনাকে বাংলার সংগীত ঐতিহ্যের গভীরে নিয়ে যাবে।
অ
৯টি
- অগ্নিশিখা, এসো এসো, আনো আনো আলো
- অনন্তসাগরমাঝে দাও তরী ভাসাইয়া
- অনন্তের বাণী তুমি, বসন্তের মাধুরী-উৎসবে
- অনেক দিনের মনের মানুষ যেন এলে কে
- অবেলায় যদি এসেছ আমার বনে দিনের বিদায়ক্ষণে
- অভয় দাও তো বলি আমার wish কী
- অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া
- অয়ি বিষাদিনী বীণা, আয় সখী
- অসীম সংসারে যার কেহ নাই কাঁদিবার
আ
১৮৬টি
- আ য় আ য় আয় আমাদের অঙ্গনে অতিথি বালক তরুদল
- আইল আজি প্রাণসখা, দেখো রে নিখিলজন
- আইল শান্ত সন্ধ্যা
- আকাশ আমায় ভরল আলোয়
- আকাশ হতে আকাশ-পথে হাজার স্রোতে
- আকাশ হতে খসল তারা আঁধার রাতে পথহারা
- আকাশ, তোমার কোন্ রূপে মন চিনতে পারে
- আকাশতলে দলে দলে
- আকাশভরা সূর্য-তারা
- আকাশে আজ কোন্ চরণের
- আকাশে তোর তেমনি আছে ছুটি
- আজ আমার আনন্দ দেখে কে
- আজ আসবে শ্যাম গোকুলে ফিরে
- আজ কি তাহার বারতা পেল রে কিশলয়
- আজ খেলা ভাঙার খেলা খেলবি আয়
- আজ তারায় তারায় দীপ্ত শিখার অগ্নি জ্বলে
- আজ দখিন-বাতাসে নাম-না-জানা
- আজ ধানের ক্ষেতে রৌদ্রছায়ায় লুকোচুরি খেলা রে ভাই
- আজ প্রথম ফুলের পাব প্রসাদখানি, তাই ভোরে উঠেছি
- আজ বরষার রূপ হেরি মানবের মাঝে
- আজ বুকের বসন ছিঁড়ে ফেলে
- আজ বুঝি আইল প্রিয়তম
- আজ সবাই জুটে আসুক ছুটে যে যেখানে থাকে
- আজি উন্মাদ মধুনিশি ওগো
- আজি এ নিরালা কুঞ্জে আমার
- আজি এই গন্ধবিধুর সমীরণে
- আজি এনেছে তাঁহারি আশীর্বাদ
- আজি কমলমুকুলদল খুলিল, দুলিল রে দুলিল
- আজি কাঁদে কারা ওই শুনা যায়
- আজি কোন্ সুরে বাঁধিব দিন-অবসান-বেলারে
- আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার
- আজি ঝরঝর মুখর বাদরদিনে
- আজি তোমায় আবার চাই শুনাবারে
- আজি দখিণ-দুয়ার খোলা
- আজি নাহি নাহি নিদ্রা আঁখিপাতে
- আজি নির্ভয়নিদ্রিত ভুবনে জাগে
- আজি পল্লিবালিকা অলকগুচ্ছ সাজালো
- আজি প্রণমি তোমারে
- আজি বরিষনমুখরিত শ্রাবণরাতি
- আজি বরিষনমুখরিত শ্রাবণরাতি
- আজি বর্ষারাতের শেষে
- আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে
- আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে
- আজি বহিছে বসন্তপবন সুমন্দ তোমারি
- আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে
- আজি বিজন ঘরে নিশীথ
- আজি মম জীবনে নামিছে ধীরে
- আজি মম মন চাহে জীবনবন্ধুরে
- আজি মর্মরধ্বনি কেন জাগিল রে
- আজি মেঘ কেটে গেছে সকালবেলায়
- আজি মেঘ কেটে গেছে সকালবেলায়
- আজি মোর দ্বারে কাহার মুখ হেরেছি
- আজি যত তারা তব আকাশে
- আজি যে রজনী যায়
- আজি রাজ-আসনে তোমারে
- আজি রাজ-আসনে তোমারে বসাইব হৃদয়মাঝারে
- আজি শরততপনে প্রভাতস্বপনে
- আজি শরততপনে প্রভাতস্বপনে
- আজি শুভ দিনে পিতার ভবনে
- আজি শুভ শুভ্র প্রাতে
- আজি শুভদিনে পিতার ভবনে
- আজি শ্রাবণঘনগহন মোহে
- আজি শ্রাবনঘনগহন মোহে
- আজি সাঁঝের যমুনায় গো
- আজি হৃদয় আমার
- আজি হেরি সংসার অমৃতময়
- আজিকে এই সকালবেলাতে
- আজু সখি মুহু মুহু
- আজু সখি মুহু মুহু
- আজু, সখি, মুহু মুহু গাহে পিক কুহু কুহু
- আঁধার অম্বরে প্রচণ্ড ডম্বরু বাজিল
- আধাঁর রজনী পোহালো জগত পূরিল পুলকে
- আঁধার শাখা উজল করি হরিত-পাতা-ঘোমটা পরি
- আঁধারের লীলা আকাশে আলোকলেখায়-লেখায়
- আধেক ঘুমে নয়ন চুমে
- আধেক ঘুমে নয়ন চুমে স্বপন দিয়ে যায়
- আনন্দ তুমি স্বামি
- আনন্দ রয়েছে জাগি ভুবনে
- আনন্দগান উঠুক তবে বাজি
- আনন্দধারা বহিছে ভুবনে
- আনন্দধ্বনি জাগাও গগনে
- আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে
- আনন্দেরই সাগর হতে এসেছে আজ বান
- আনন্দেরই সাগর হতে এসেছে আজ বান
- আন্ গো তোরা কার কী আছে
- আন্ গো তোরা কার কী আছে
- আন্মনা আন্মনা
- আপন মনে গোপন কোণে লেখাজোখার কারখানাতে
- আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়া
- আপনহারা মাতোয়ারা আছি তোমার
- আপনহারা মাতোয়ারা আছি তোমার আশা ধরে
- আপনাকে এই জানা আমার ফুরাবে না
- আপনারে দিয়ে রচিলি রে কি
- আপনি অবশ হলি, তবে
- আপনি আমার কোন্খানে
- আবার এরা ঘিরেছে মোর মন
- আবার এসেছে আষাঢ়
- আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে
- আবার মোরে পাগল করে দিবে কে
- আবার শ্রাবণ হয়ে এলে ফিরে
- আমরা খুঁজি খেলার সাথি
- আমরা খুঁজি খেলার সাথি
- আমরা চাষ করি আনন্দে
- আমরা চিত্র অতি বিচিত্র
- আমরা ঝ’রে-পড়া ফুলদল ছেড়ে এসেছি
- আমরা ঝরে পড়া ফুলদল
- আমরা তারেই জানি তারেই
- আমরা দুজনা স্বর্গ খেলনা গড়িব না
- আমরা দুর আকাশের
- আমরা দূর আকাশের নেশায় মাতাল
- আমরা না গান গাওয়ার দল রে
- আমরা না-গান গাওয়ার দল রে
- আমরা নূতন প্রাণের চর
- আমরা নূতন প্রাণের চর হা হা
- আমরা নূতন যৌবনেরই দূত
- আমরা নূতন যৌবনেরই দূত
- আমরা পথে পথে যাব সারে সারে
- আমরা বসব তোমার সনে
- আমরা বসব তোমার সনে
- আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ, আমরা গেঁথেছি শেফালিমালা
- আমরা মিলেছি আজ মায়ের ডাকে
- আমরা যে শিশু অতি অতিক্ষুদ্র মন
- আমরা যে শিশু অতি, অতিক্ষুদ্র মন
- আমরা লক্ষ্মীছাড়ার দল
- আমরা লক্ষ্মীছাড়ার দল ভবের পদ্মপত্রে জল
- আমরা সবাই রাজা
- আমা-তরে অকারণে
- আমাকে যে বাধঁবে ধরে
- আমাকে যে বাঁধবে ধরে, এই হবে যার সাধন
- আমাকে যে বাঁধবে ধরে, এই হবে যার সাধন
- আমাদের খেপিয়ে বেড়ায় যে
- আমাদের পাকবে না চুল গো
- আমাদের পাকবে না চুল গো
- আমাদের ভয় কাহারে
- আমাদের শান্তিনিকেতন আমাদের সব হতে আপন
- আমাদের সখীরে কে নিয়ে যাবে রে
- আমায় ক্ষমোহে ক্ষমো, নমো হে নমো
- আমায় ছ জনায় মিলে পথ দেখায়
- আমার অন্ধপ্রদীপ শূন্য-পানে চেয়ে আছে
- আমার কী বেদনা সে কি জানো
- আমার ঘুর লেগেছে- তাধিন্ তাধিন্
- আমার জীর্ণ পাতা যাবার বেলায় বারে বারে
- আমার নয়ন-ভুলানো এলে
- আমার নাই বা হল পারে যাওয়া
- আমার নিকড়িয়া রসের রসিক কানন ঘুরে ঘুরে
- আমার প্রিয়ার ছায়া আকাশে আজ ভাসে
- আমার বনে বনে ধরল মুকুল
- আমার মনের বাঁধন ঘুচে যাবে
- আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি
- আমার মালার ফুলের দলে আছে লেখা বসন্তের মন্ত্রলিপি
- আমার যাবার সময় হল, আমায় কেন রাখিস ধরে
- আমার যে দিন ভেসে গেছে চোখের জলে
- আমার রাত পোহালো শারদ প্রাতে
- আমার হারিয়ে যাওয়া দিন
- আমারে করো জীবনদান
- আমারে ডাক দিল কে ভিতর পানে
- আমারে বাঁধবি তোরা সেই বাধন কি
- আমারে যদি জাগালে আজি নাথ
- আমারেও করো মার্জনা
- আমি একলা চলেছি এ ভবে
- আমি কী গান গাব যে ভেবে না পাই
- আমি কেবল ফুল জোগাব
- আমি কেবলই স্বপন করেছি বপন বাতাসে
- আমি চঞ্চল হে আমি সুদূরের পিয়াসি
- আমি জেনে শুনে তবু ভুলে আছি
- আমি তখন ছিলেম মগন গহন ঘুমের ঘোরে
- আমি তোমারি মাটির কন্যা, জননী বসুন্ধরা
- আমি পথভোলা এক পথিক এসেছি
- আমি ফিরব না রে, ফিরব না আর, ফিরব না রে
- আমি যে সব নিতে চাই, সব-নিতে ধাই রে
- আমি শ্রাবণ-আকাশে ওই দিয়েছি পাতি
- আমি শ্রাবণ-আকাশে ওই দিয়েছি পাতি
- আমি সন্ধ্যাদীপের শিখা
- আমি সংসারে মন দিয়েছি, তুমি আপনি সে মন নিয়েছ
- আমি স্বপনে রয়েছি ভোর
- আমিই শুধু রইনু বাকি
- আয় আয় রে পাগল, ভুলবি রে চল্ আপনাকে
- আয় তোরা আয় আয় গো
- আয় রে আয় রে সাঁঝের বা, লতাটিরে দুলিয়ে যা
- আয় রে মোরা ফসল কাটি
- আর কি আমি ছাড়ব তোরে
- আর নাই যে দেরি, নাই যে দেরি
- আলো আমার, আলো ওগো, আলো ভুবন-ভরা
- আলোক-চোরা লুকিয়ে এল ওই
- আলোকের পথে, প্রভু, দাও দ্বার খুলে
- আলোর অমল কমলখানি কে ফুটালে
ই
২টি
উ
৪টি
এ
৪৬টি
- এ কি সত্য সকলই সত্য, হে আমার চিরভক্ত
- এ কী মায়া লুকাও কায়া জীর্ণ শীতের সাজে
- এ কী হরষ হেরি কাননে
- এ ভালোবাসার যদি দিতে প্রতিদান
- এ শুধু অলস মায়া, ও শুধু মেঘের খেলা
- এ হরিসুন্দর, এ হরিসুন্দর
- এই একলা মোদের হাজার মানুষ দাদাঠাকুর
- এই কথাটাই ছিলেম ভুলে
- এই তো ভরা হল ফুলে ফুলে ফুলের ডালা
- এই তো ভালো লেগেছিল আলোর নাচন পাতায় পাতায়
- এই মৌমাছিদের ঘরছাড়া কে করেছে রে
- এক ফাগুনের গান সে আমার আর ফাগুনের কূলে কূলে
- এক বার বলো, সখী, ভালোবাস মোরে
- এক সূত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন
- একটুকু ছোঁওয়া লাগে, একটুকু কথা শুনি
- একদা প্রাতে কুঞ্জতলে কুঞ্জতলে অন্ধ বালিকা
- একদিন যারা মেরেছিল তাঁরে গিয়ে
- একবার তোরা মা বলিয়া ডাক
- একি অন্ধকার এ ভারতভূমি
- এত দিন পরে সখী, সত্য সে কি হেথা ফিরে এল
- এত দিন যে বসে ছিলেম পথ চেয়ে
- এত ফুল কে ফোটালে কাননে
- এতদিন পরে মোরে
- এনেছ ওই শিরীষ বকুল আমের মুকুল
- এবার অবগুণ্ঠন খোলো
- এবার এল সময় রে তোর শুকনো-পাতা-ঝরা
- এবার চলিনু তবে
- এবার তো যৌবনের কাছে মেনেছ হার মেনেছ
- এবার বিদায়বেলার সুর ধরো ধরো ও চাঁপা, ও করবী
- এবার বুঝি ভোলার বেলা হল
- এবার বুঝেছি সখা, এ খেলা কেবলই খেলা
- এবার ভাসিয়ে দিতে হবে আমার এই তরী
- এবার যমের দুয়োর খোলা পেয়ে ছুটেছে সব ছেলে মেয়ে
- এবেলা ডাক পড়েছে কোন্খানে
- এমনি করেই যায় যদি দিন যাক না
- এল যে শীতের বেলা বরষ-পরে
- এস’ এস’ বসন্ত, ধরাতলে
- এসেছিনু দ্বারে তব শ্রাবণরাতে
- এসেছিলে তবু আস নাই জানায়ে গেলে
- এসো এসো এসো প্রাণের উৎসবে
- এসো এসো ওগো শ্যামছায়াঘন দিন, এসো এসো
- এসো গো জ্বেলে দিয়ে যাও প্রদীপখানি
- এসো গো নূতন জীবন
- এসো শরতের অমল মহিমা, এসো হে ধীরে
- এসো হে এসো সজল ঘন বাদলবরিষনে
- এসো হে গৃহদেবতা
ও
৫৬টি
- ও আমার চাঁদের আলো, আজ ফাগুনের সন্ধ্যাকালে
- ও কথা বলো না তারে
- ও কি এল, ও কি এল না, বোঝা গেল না
- ও কী কথা বল সখী, ছি ছি, ও কথা মনে এনো না
- ও কেন ভালোবাসা জানাতে আসে ওলো সজনী
- ও গান আর গাস্ নে, গাস নে, গাস্ নে
- ও চাদ, তোমায় দোলা দেবে কে
- ও জলের রানী
- ও জোনাকী, কী সুখে ওই ডানা দুটি মেলেছ
- ও তো আর ফিরবে না রে, ফিরবে না আর
- ও ভাই কানাই, কারে জানাই দুঃসহ মোর দুঃখ
- ও মঞ্জরী, ও মঞ্জরী, আমের মঞ্জরী
- ওই আঁখি রে ফিরে ফিরে চেয়ো না
- ওই কথা বলো, সখী, বলো আরবার
- ওই জানালার কাছে বসে আছে করতলে রাখি মাথা
- ওই ভাঙল হাসির বাঁধ
- ওই মহামানব আসে
- ওই মালতীলতা দোলে
- ওই সাগরের ঢেউয়ে ঢেউয়ে বাজল ভেরী
- ওকি সখা, কেন মোরে করো তিরস্কার
- ওকি সখা, মুছ আঁখি। আমার তরেও কাঁদিবে কি
- ওকে কেন কাঁদালি
- ওগো জলের রানী
- ওগো তুমি পঞ্চদশী, তুমি পৌঁছিলে পূর্ণিমাতে
- ওগো দখিন হাওয়া, ও পথিক হাওয়া
- ওগো দয়াময়ী চোর, এত দয়া মনে তোর
- ওগো দেবতা আমার পাষাণদেবতা
- ওগো নদী, আপন বেগে পাগল-পারা
- ওগো পুরবাসী আমি দ্বারে দাঁড়ায়ে আছি উপবাসী
- ওগো বধু সুন্দরী, তুমি মধুমঞ্জরী
- ওগো ভাগ্যদেবী পিতামহী, মিটল আমার আশ
- ওগো শেফালিবনের মনের কামনা
- ওগো সঁওতালি ছেলে
- ওগো হৃদয়বনের শিকারী
- ওগো, তোমরা সবাই ভালো
- ওগো, তোরা কে যাবি পারে
- ওঠো রে মলিনমুখ, চলো এইবার
- ওর ভাব দেখে যে পায় হাসি, হায় হায় রে
- ওর মানের এ বাঁধ টুটবে না কি টুটবে না
- ওরা অকারণে চঞ্চল
- ওরা অকারণে চঞ্চল
- ওরে আয় রে তবে, মাত্ রে সবে আনন্দে
- ওরে ওরে ওরে, আমার মন মেতেছে
- ওরে গৃহবাসী খোল্, দ্বার খোল্, লাগল যে দোল
- ওরে প্রজাপতি, মায়া দিয়ে কে যে পরশ করল তোরে
- ওরে বকুল, পারুল, ওরে শাল-পিয়ালের বন
- ওরে বকুল, পারুল, ওরে শালপিয়ালের বন
- ওরে ভাই, ফাগুন লেগেছে বনে বনে
- ওরে ভাই, মিথ্যা ভেবো না
- ওরে মাঝি, ওরে আমার মানবজন্মতরীর মাঝি
- ওরে শিকল, তোমায় কোলে ক’রে দিয়েছি ঝঙ্কার
- ওরে সাবধানী পথিক, বারেক পথ ভুলে মরো ফিরে
- ওরে, যেতে হবে, আর দেরি নাই
- ওলো শেফালি, ওলো শেফালি
- ওহে জীবনবল্লভ, ওহে সাধনদুর্লভ
- ওহে নবীন অতিথি, তুমি নূতন কি তুমি চিরন্তন
ক
৪৭টি
- কঠিন লোহা কঠিন ঘুমে ছিল অচেতন
- কত কাল রবে বল’ ভারত রে
- কত দিন এক সাথে ছিনু ঘুমঘোরে
- কত বার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া
- কথা কোস্ নে লো রাই, শ্যামের বড়াই বড়ো বেড়েছে
- কবরীতে ফুল শুকালো
- কমলবনের মধুপরাজি, এসো হে কমলভবনে
- কাছে ছিলে দূরে গেলে- দূর হতে এসো কাছে
- কাছে তার যাই যদি কত যেন পায় নিধি
- কাজ ভোলাবার কে গো তোরা
- কাটাবনবিহারিণী সুর-কানা দেবী
- কার যেন এই মনের বেদন
- কার হাতে যে ধরা দেব হায়
- কার হাতে যে ধরা দেব, প্রাণ
- কালো মেঘের ঘটা ঘনায় রে আঁধার গগনে
- কিছু বলব ব’লে এসেছিলেম
- কিছুই তো হল না
- কী করিব বলে, সখা, তোমার লাগিয়া
- কী করিলি মোহের ছলনে
- কী জানি কী ভেবেছ মনে
- কী দিব তোমায়। নয়নেতে অশ্রুধার
- কী ধ্বনি বাজে গহঞ্চেতনামাঝে
- কী পাই নি তারি হিসাব মিলাতে মন মোর নহে রাজি
- কী বেদনা মোর জানো সে কি তুমি
- কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি
- কে এসে যায় ফিরে ফিরে আকুল নয়ননীরে
- কে জানিত তুমি ডাকিবে আমারে, ছিলাম নিদ্রামগন
- কে তুমি গো খুলিয়াছ স্বর্গের দুয়ার
- কে যেতেছিস, আয় রে হেথা
- কে রঙ লাগালে বনে বনে
- কেন গো সে মোরে যেন করে না বিশ্বাস
- কেন চেয়ে আছ, গো মা, মুখপানে
- কেন নিবে গেল বাতি
- কেন পান্থ, এ চঞ্চল
- কেন যে মন ভোলে আমার মন জানে না
- কেন রে চাস ফিরে ফিরে চলে আয় রে চলে আয়
- কেমনে শুধিব বলো তোমার এ ঋণ
- কো তুঁহু বোলবি মোয়
- কোথা আছ, প্রভু, এসেছি দীনহীন
- কোথা ছিলি সজনী লো
- কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা
- কোথায় ফিরিস পরম শেষের অন্বেষণে
- কোন্ খেপা শ্রাবণ ছুটে এল আশ্বিনেরই আঙিনায়
- কোন্ ভীরুকে ভয় দেখাবি
- কোন্ সুদূর হতে আমার মনোমাঝে
- ক্লান্ত যখন আম্রকলির কাল
- ক্ষমা করো মোরে সখী, শুধায়ো না আর
খ
৬টি
গ
১৪টি
- গগনে গগনে ধায় হাঁকি
- গগনের থলে রবি চন্দ্র দীপক জ্বলে
- গন্ধরেখার পন্থে তোমার শূন্যে গতি
- গভীর রাতে ভক্তিভরে কে জাগে আজ
- গহন কুসুম কুঞ্জ মাঝে
- গহন কুসুমকুঞ্জ-মাঝে মৃদুল মধুর বংশি বাজে
- গহির নীদমে
- গা সখী, গাইলি যদি, আবার সে গান
- গিয়াছে সে দিন যে দিন হৃদয়
- গুরুপদে মন করো অর্পণ
- গেল গেল নিয়ে গেল এ প্রণয়স্রোতে
- গোপন প্রাণে একলা মানুষ যে
- গোলাপ ফুল ফুটিয়ে আছে
- গ্রামছাড়া ওই রাঙা মাটির পথ
ঘ
১টি
চ
১৭টি
- চরণরেখা তব যে পথে দিলে লেখি
- চরণরেখা তব যে পথে দিলে লেখি
- চরাচর সকলই মিছে মায়া, ছলনা
- চলিয়াছি গৃহ-পানে
- চলে ছলছল নদীধারা নিবিড় ছায়ায় কিনারায়
- চলে যাবি এই যদি তোর মনে থাকে
- চলে যায় মরি হায় বসন্তের দিন
- চলেছে ছুটিয়া পলাতকা হিয়া
- চলেছে তরণী প্রসাদপবনে, কে যাবে এসো
- চলো নিয়ম-মতে
- চাহি না সুখে থাকিতে হে, হেরো কত দীনজন কাঁদিছে
- চাহিয়া দেখো রসের স্রোতে রঙের খেলাখানি
- চিঁড়েতন হর্তন ইস্কাবন
- চিত্ত আমার হারালো আজ মেঘের মাঝখানে
- চির-পুরানো চাঁদ
- চেনা ফুলের গন্ধস্রোতে ফাগুন-রাতের অন্ধকারে
- চোখ যে ওদের ছুটে চলে গো
ছ
২টি
জ
১১টি
ঝ
৪টি
ড
১টি
ঢ
১টি
ত
৪৪টি
- তব প্রেমসুধারসে মেতেছি
- তবু পারি নে সঁপিতে প্রাণ
- তবে কি ফিরিব ম্লানমুখে সখা
- তরী আমার হঠাৎ ডুবে যায়
- তরীতে পা দিই নি আমি, পারের পানে যাই নি গো
- তরুণ প্রাতের অরুণ আকাশ
- তরুতলে ছিন্নবৃন্ত মালতীর ফুল
- তারে তারো, হরি, দীনজনে
- তারে দেহে গো আনি
- তাঁহার অসীম মঙ্গললোক হতে
- তাঁহার আনন্দধারা জগতে যেতেছে বয়ে
- তাহার প্রেমে কে ডুবে আছে
- তিমিরময় নিবিড় নিশা নাহি রে নাহি দিশা
- তুই রে বসন্তসমীরণ তোর নহে সুখের জীবন
- তুমি আছ কোন্ পাড়া? তোমার পাই নে যে সাড়া
- তুমি আমায় করবে মস্ত লোক
- তুমি উষার সোনার বিন্দু প্রাণের সিন্ধুকূলে
- তুমি কাছে নাই ব’লে হেরো, সখা, তাই
- তুমি কি কেবলই ছবি, শুধু পটে লিখা
- তুমি কি গো পিতা আমাদের
- তুমি কিছু দিয়ে যাও মোর প্রাণে গোপনে গো
- তুমি কোন্ পথে যে এলে পথিক
- তুমি তো সেই যাবেই চ’লে কিছু তো না রবে বাকি
- তুমি পড়িতেছ হেসে তরঙ্গের মতো এসে
- তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা তুমি আমার নিভৃত সাধনা
- তুমি হে প্রেমের রবি আলো করি চরাচর
- তৃষ্ণার শান্তি সুন্দরকান্তি, তুমি এলে
- তোমরা যা বল তাই বলো, আমার লাগে না মনে
- তোমরা হাসিয়া বহিয়া চলিয়া যাও
- তোমাদের দান যশের ডালায় সব-শেষ সঞ্চয় আমার
- তোমায় যতনে রাখিব হে, রাখিব কাছে
- তোমায় সাজাব যতনে কুসুমে রতনে
- তোমার আনন্দ ওই গো
- তোমার আসন পাতব কোথায় হে অতিথি
- তোমার আসন শূন্য আজি হে বীর পূর্ণ করো
- তোমার কটি-তটের ধটি কে দিল রাঙিয়া
- তোমার নাম জানি নে, সুর জানি
- তোমার বাস কোথা যে, পথিক ওগো
- তোমার মোহন রূপে কে রয় ভুলে
- তোমার হল শুরু, আমার হল সারা
- তোমারি তরে, মা, সঁপিনু এ দেহ
- তোমারে জানি নে হে, তবু মন তোমাতে ধায়
- তোরা বসে গাঁথিস মালা, তার গলায় পরে
- তোলন-নামন পিছন-সামন
থ
২টি
দ
৩৩টি
- দখিন হাওয়া, জাগো জাগো
- দয়া করো, দয়া করো প্রভু, ফিরে ফিরে
- দাও হে হৃদয় ভরে দাও
- দাড়াও, মাথা খাও, যেয়ো না সখা
- দিন তো চলি গেল প্রভু, বৃথা- কাতরে কাঁদে হিয়া
- দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় রইল না
- দিনশেষে বসন্ত যা প্রাণে গেল ব’লে
- দিনের বিচার করো
- দিবানিশি করিয়া যতন
- দুই হাতে- কালের মন্দিরা যে সদাই বাজে
- দুই হৃদয়ের নদী একত্র মিলিল যদি
- দুইটি হৃদয়ে একটি আসন পাতিয়া বসো হে হৃদয়নাথ
- দুঃখ এ নয়, সুখ নহে গো- গভীর শান্তি এ যে
- দুখ দূর করিলে, দরশন দিয়ে মোহিলে প্রাণ
- দুখের কথা তোমায় বলিব না
- দুজনে এক হয়ে যাও, মাথা রাখো একের পায়ে
- দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে
- দুজনে যেথায় মিলিছে সেথায় তুমি থাকো, প্রভু
- দুটি প্রাণ এক ঠাঁই তুমি তো এনেছ ডাকি
- দুয়ার মোর পথপাশে, সদাই তারে খুলে রাখি
- দুয়ারে বসে আছি প্রভু, সারা বেলা
- দূর রজনীর স্বপন লাগে আজ নূতনের হাসিতে
- দূরদেশী সেই রাখাল ছেলে
- দেখ চেয়ে দেখ, তোরা জগতের উৎসব
- দেখব কে তোর কাছে আসে
- দেখলো সজনী চাঁদনি রজনী
- দেখা না-দেখায় মেশা হে বিদ্যুৎলতা
- দেখা যদি দিলে ছেড়ো না আর, আমি অতি দীনহীন
- দেখায়ে দে কোথা আছে একটু বিরল
- দেখো ওই কে এসেছে।- চাও সখী, চাও
- দেখো- দেখো, দেখো, শুকতারা আঁখি মেলি চায়
- দেশে দেশে ভ্রমি তব দুখগান গাহিয়ে
- দোলে দোলে দোলে প্রেমের দোলন-চাঁপা
ধ
৩টি
ন
৩০টি
- নব কুন্দধবলদলসুশীতলা
- নব নব পল্লবরাজি
- নব বসন্তের দানের ডালি
- নব বৎসরে করিলাম পণ লব স্বদেশের দীক্ষা
- নবজীবনের যাত্রাপথে দাও দাও এই বর
- নমো নমো শচীচিতরঞ্জন, সন্তাপভঞ্জন
- নমো নমো, নমো নমো, নমো নমো, তুমি সুন্দরতম
- নমো যন্ত্র, নমো- যন্ত্র, নমো- যন্ত্র, নমো- যন্ত্র
- নমো, নমো, নমো
- নমো, নমো। নমো, নমো
- নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে, রয়েছ নয়নে নয়নে
- নহ মা, নহ কন্যা, নহ বধূ
- না গো, এই যে ধুলা আমার না
- না সখা, মনের ব্যথা কোরো না গোপন
- না, যেয়ো না যেয়ো নাকো
- নাই ভয়, নাই ভয়, নাই রে
- নাচ্, শ্যামা, তালে তালে
- নাহয় তোমার যা হয়েছে তাই হল
- নিবিড় অন্তরতর বসন্ত এল প্রাণে
- নিবিড় অমা-তিমির হতে বাহির হল জোয়ার-স্রোতে
- নিবিড় মেঘের ছায়ায় মন দিয়েছি মেলে
- নির্জন রাতে নিঃশব্দ চর পাতে কেন এলে
- নির্মল কান্ত, নমো হে নমো, নমো হে
- নিশীথরাতের প্রাণ
- নীরব রজনী দেখো মগ্ন জোছনায়
- নীল আকাশের কোণে কোণে ওই বুঝি আজ শিহর লাগে
- নীল দিগন্তে ওই ফুলের আগুন লাগল
- নীল নবঘনে আষাঢ়গগনে
- নূতন পথের পথিক হয়ে আসে, পুরাতন সাথি
- নৃত্যের তালে তালে, নটরাজ, ঘুচাও ঘুচাও
প
২৬টি
- পথে যেতে তোমার সাথে সাথে মিলন হল দিনের শেষে
- পরবাসী, চলে এসো ঘরে
- পাখি বলে, ‘চাঁপা, আমারে কও
- পাখি, তোর সুর ভুলিস নে
- পাগল যে তুই, কণ্ঠ ভরে
- পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে
- পাগলিনী, তোর লাগি
- পাছে চেয়ে বসে আমার মন
- পায়ে পড়ি শোনো ভাই গাইয়ে
- পিতার দুয়ারে দাঁড়াইয়া সবে ভুলে যাও অভিমান
- পুরাতনকে বিদায় দিলে না যে ওগো নবীন রাজা
- পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়
- পুষ্প ফুটে কোন্ কুঞ্জবনে
- পূর্বাচলের পানে তাকাই অস্তাচলের ধারে আসি
- পোড়া মনে শুধু পোড়া মুখখানি জাগে রে
- পোহালো পোহালো বিভাবরী
- পৌষ তোদের ডাক দিয়েছে, আয় রে চলে
- প্রভু, এলেম কোথায়
- প্রভু, খেলেছি অনেক খেলা
- প্রমোদে ঢালিয়া দিনু মন, তবু প্রাণ কেন কাঁদে রে
- প্রলয়নাচন নাচলে যখন আপন ভুলে
- প্রহরশেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্র মাস
- প্রাঙ্গণে মোর শিরীষশাখায় ফাগুন মাসে
- প্রিয়ে, তোমার ঢেঁকি হলে যেতেম বেঁচে
- প্রেম এসেছিল নিঃশব্দচরণে
- প্রেমের মিলনদিনে সত্য সাক্ষী যিনি
ফ
১২টি
- ফল ফলাবার আশা আমি মনে রাখি নি রে
- ফাগুন-হাওয়ায় রঙে রঙে পাগল ঝোরা লুকিয়ে ঝরে
- ফাগুন, হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান
- ফাগুনের নবীন আনন্দে
- ফাগুনের পূর্ণিমা এল কার লিপি হাতে
- ফাগুনের শুরু হতেই শুকনো পাতা ঝরল যত
- ফিরায়ো না মুখখানি
- ফিরে চল্, ফিরে চল্, ফিরে চল্ মাটির টানে
- ফিরে ফিরে আমায় মিছে ডাকো স্বামী
- ফিরো না ফিরো না আজি- এসেছ দুয়ারে
- ফুরোলো ফুরোলো এবার পরীক্ষার এই পালা
- ফুলটি ঝরে গেছে রে
ব
৫১টি
- বকুলগন্ধে বন্যা এল দখিন-হাওয়ার স্রোতে
- বজাও রে মোহন বাঁশি
- বড় আশা ক’রে এসেছি গো
- বড়ো থাকি কাছাকাছি
- বড়ো বিস্ময় লাগে হেরি তোমারে
- বঁধু, মিছে রাগ কোরো না, কোরো না
- বঁধুয়া, অসময়ে কেন হে প্রকাশ
- বঁধুয়া, হিয়া-পর আও রে
- বঁধুয়া, হিয়াপর আওরে
- বঁধুর লাগি কেশে আমি পরব এমন ফুল
- বন্ধু, কিসের তরে অশ্রু ঝরে
- বর্ষ ওই গেল চলে
- বলি গো সজনী, যেয়ো না, যেয়ো না
- বলি, ও আমার গোলাপবালা
- বলেছিল ‘ধরা দেব না’, শুনেছিল সেই বড়াই
- বলো বলো, বন্ধু, বলো তিনি তোমার কানে কানে
- বসন্ত আওল রে
- বসন্ত আওল রে! মধুকর গুন গুন
- বসন্ত তার গান লিখে যায় ধূলির ‘পরে কী আদরে
- বসন্ত-প্রভাতে এক মালতীর ফুল
- বসন্ত, তোর শেষ ক’রে দে
- বসন্তে আজ ধরার চিত্ত হল উতলা
- বসন্তে কি শুধু কেবল ফোটা ফুলের মেলা রে
- বসন্তে ফুল গাঁথল আমার জয়ের মালা
- বসন্তে বসন্তে তোমার কবিরে দাও ডাক
- বাকি আমি রাখব না কিছুই
- বাজে গুরুগুরু শঙ্কার ডঙ্কা
- বাজে রে বাজে ডমরু বাজে হৃদয়মাঝে
- বাজে রে বাজে রে ওই রুদ্রতালে বজ্রভেরী
- বাজো রে বাঁশরি, বাজো
- বাদর বরখন
- বাদরবরখন, নীরদগরজন, বিজুলীচমকন ঘোর
- বাদল-দিনের প্রথম কদম ফুল করেছ দান
- বাঁধন কেন ভূষণ-বেশে
- বার বার, সখি, বারণ করনু
- বার বার, সখি, বারণ করনু ন যাও মথুরাধাম
- বারে বারে ফিরে ফিরে তোমার পানে
- বাসন্তী, হে ভুবনমোহিনী
- বাহির হলেম আমি আপন ভিতর হতে
- বিদায় নিয়ে গিয়েছিলেম বারে বারে
- বিদায় যখন চাইবে তুমি দক্ষিণসমীরে
- বিধি ডাগর আঁখি যদি দিয়েছিল
- বিপাশার তীরে ভ্রমিবারে যাই, প্রতিদিন প্রাতে দেখিবারে পাই
- বিরহে মরিব ব’লে ছিল মনে পণ
- বিশ্ববিদ্যাতীর্থপ্রাঙ্গণ কর’ মহোজ্জ্বল
- বিশ্বরাজালয়ে বিশ্ববীণা বাজিছে
- বুঝি এল, বুঝি এল ওরে প্রাণ
- বুঝি ওই সুদূরে ডালি মোরে
- বুঝেছি বুঝেছি সখা, ভেঙেছে প্রণয়
- বৃথা গেয়েছি বহু গান কোথা সঁপেছি মন প্রাণ
- বেদনা কী ভাষায় রে
ভ
১১টি
- ভবকোলাহল ছাড়িয়ে
- ভয় নেই রে তোদের নেই রে ভয়
- ভাঙা দেউলের দেবতা
- ভাঙো বাঁধ ভেঙে দাও, বাঁধ ভেঙে দাও
- ভারত রে, তোর কলঙ্কিত পরমাণুরাশি
- ভালো যদি বাস, সখী, কী দিব গো আর
- ভালোবাসিলে যদি সে ভালো না বাসে
- ভালোমানুষ নই রে মোরা ভালো মানুষ নই
- ভিক্ষে দে গো, ভিক্ষে দে
- ভুলে ভুলে আজ ভুলময়
- ভোর থেকে আজ বাদল ছুটেছে- আয় গো আয়
ম
৪০টি
- মধু -গন্ধে ভরা মৃদু -স্নিগ্ধছায়া নীপ -কুঞ্জতলে
- মধুঋতু নিত্য হয়ে রইল তোমার মধুর দেশে
- মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন ঘটাতে
- মধুর মধুর ধ্বনি বাজে হৃদয়কমলবনমাঝে
- মধুর মিলন। হাসিতে মিলেছে হাসি, নয়নে নয়ন
- মন প্রাণ কাড়িয়া লও হে হৃদয়স্বামী
- মন মোর মেঘের সঙ্গী
- মন যে বলে চিনি চিনি যে গন্ধ বয় এই সমীরে
- মন হতে প্রেম যেতেছে শুকায়ে
- মনে হল পেরিয়ে এলেম অসীম পথ
- মনে হল, যেন পেরিয়ে এলেম
- মনের মধ্যে নিরবধি শিকল গড়ার কারখানা
- মনোমন্দিরসুন্দরী! মণিমঞ্জীর গুঞ্জরি
- মম অন্তর উদাসে
- মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে
- মম মন-উপবনে চলে অভিসারে
- মরি লো কার বাশি নিশিভোরে বাজিল
- মরুবিজয়ের কেতন উড়াও শূন্যে হে প্রবল প্রাণ
- মলিন মুখে ফুটুক হাসি, জুড়াক দু নয়ন
- মহানন্দে হেরে গো সবে
- মহাবিশ্বে মহাকাশে মহাকালমাঝে
- মহাসিংহাসনে বসি শুনিছ, হে বিশ্বপিত
- মা আমার, কেন তোরে স্নান নেহারি
- মা, একবার দাঁড়া গো হেরি চন্দ্রানন
- মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাই না
- মাটির প্রদীপখানি আছে মাটির ঘরের কোলে
- মাটির বুকের মাঝে বন্দী যে জল মিলিয়ে থাকে
- মাধব, না কহ আদর বাণী
- মাধব, না কহ আদরবাণী, না কর প্রেমক নাম
- মাধবী হঠাৎ কোথা হতে এল ফাগুন-দিনের স্রোতে
- মিটিল সব ক্ষুধা, তাঁহার প্রেমসুধা
- মেঘের কোলে রোদ হেসেছে
- মেঘেরা চলে চলে যায়, চাঁদেরে ডাকে ‘আয়, আয়’
- মোদের কিছু নাই রে নাই, আমরা ঘরে বাইরে গাই
- মোদের যেমন খেলা তেমনি যে কাজ জানিস নে কি ভাই
- মোর বীণা ওঠে কোন্ সুরে বাজি
- মোর ভাবনারে কী হাওয়ায় মাতালে
- মোরা চলব না। মুকুল ঝরে ঝরুক, মোরা ফলব না
- মোরা ভাঙব তাপস, ভাঙব তোমার কঠিন তপের বাঁধন
- মোরা সত্যের ‘পরে মন আজি করিব সমর্পণ
য
২২টি
- যখন দেখা দাও নি রাধা, তখন বেজেছিল বাঁশি
- যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে
- যদি জোটে রোজ এমনি বিনি পয়সায় ভোজ
- যদি তারে নাই চিনি গো সে কি আমায় নেবে চিনে
- যদি ভরিয়া লইবে কুম্ভ এসো ওগো
- যাই যাই, ছেড়ে দাও- স্রোতের মুখে ভেসে যাই
- যাওয়া-আসারই এই কি খেলা
- যাত্রী আমি ওরে
- যাবই আমি যাবই ওগো, বাণিজ্যেতে যাবই
- যায় দিন, শ্রাবণদিন যায়
- যারা বিহান-বেলায় গান এনেছিল আমার মনে
- যারে মরণ-দশায় ধরে
- যাহা পাও তাই লও, হাসিমুখে ফিরে যাও
- যুদ্ধ যখন বাধিল অচলে চঞ্চলে
- যে আমি ওই ভেসে চলে কালের ঢেউয়ে আকাশতলে
- যে কাঁদনে হিয়া কাঁদিছে সে কাঁদনে সেও কাঁদিল
- যে কেবল পালিয়ে বেড়ায়, দৃষ্টি এড়ায়
- যে তরণীখানি ভাসালে দুজনে আজি, হে নবীন সংসারী
- যে ভালোবাসুক সে ভালোবাসুক সজনি লো
- যেখানে রূপের প্রভা নয়ন-লোভ
- যেন কোন্ ভুলের ঘোরে চাঁদ চলে যায়
- যোগী হে, কে তুমি হৃদি-আসনে
র
৮টি
শ
২৭টি
- শরত-আলোর কমলবনে
- শরতে আজ কোন্ অতিথি এল প্রাণের দ্বারে
- শরৎ, তোমার অরুণ আলোর অঞ্জলি
- শিউলি ফুল, শিউলি ফুল, কেমন ভুল, এমন ভুল
- শিউলি-ফোটা ফুরোল যেই ফুরোল শীতের বনে
- শীতের বনে কোন্ সে কঠিন আসবে ব’লে
- শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আম্লকির এই ডালে ডালে
- শুকনো পাতা কে যে ছড়ায় ওই দূরে
- শুধু যাওয়া আসা, শুধু স্রোতে ভাসা
- শুন নলিনী, খোলো গো আঁখি
- শুন লো শুন লো বালিকা, রাখ কুসুমমালিকা
- শুন সখি বাজত বাঁশি
- শুন, সখি, বাজই বাঁশি
- শুনলো শুনলো বালিকা
- শুনি ওই রুনুঝুনু পায়ে পায়ে নূপুরধ্বনি
- শুভদিনে এসেছে দোঁহে চরণে তোমার
- শুভদিনে শুভক্ষণে পৃথিবী আনন্দমনে
- শুভ্র প্রভাতে পূর্বগগনে উদিল
- শেষ গানেরই রেশ নিয়ে যাও চলে
- শেষ ফলনের ফসল এবার
- শোনো শোনো আমাদের ব্যথা দেবদেব
- শোন্ রে শোন্ অবোধ মন
- শ্যাম রে, নিপট কঠিন মন তোর
- শ্যাম রে, নিপট কঠিন মন তোর
- শ্যাম, মুখে তব মধুর অধরমে হাস বিকশিত কায়
- শ্রাবণের গগনের গায় বিদ্যুৎ চমকিয়া যায়
- শ্রাবণের বারিধারা ঝরিছে বিরামহারা
স
৫৩টি
- সকলই ফুরাইল। যামিনী পোহাইল
- সকলই ভুলেছে ভোলা মন
- সকাতরে ওই কাঁদিছে সকলে, শোনো শোনো পিতা
- সকাল বেলার কুঁড়ি আমার বিকালে যায় টুটে
- সখা হে, কী দিয়ে আমি তুষিব তোমায়
- সখা, সাধিতে সাধাতে কত সুখ
- সখি রে, পিরীত বুঝবে কে
- সখি লো, সখি লো, নিকরুণ মাধব মথুরাপুর যব যায়
- সখিরে পিরীত বুঝবে কে
- সখিলো, সখিলো, নিকরুণ মাধব
- সখী, আর কত দিন সুখহীন শান্তিহীন
- সখী, ভাবনা কাহারে বলে
- সঘন গহন রাত্রি, ঝরিছে শ্রাবণধারা
- সজনি গো, শাঙন গগনে
- সজনি সজনি রাধিকা লো, দেখ অবহুঁ চাহিয়া
- সজনি সজনি রাধিকালো
- সতিমির রজনী
- সতিমির রজনী, সচকিত সজনী শূন্য নিকুঞ্জ-অরণ্য
- সন্ন্যাসী যে জাগিল ওই, জাগিল ওই
- সন্ন্যাসী, ধ্যানে নিমগ্ন নগ্ন তোমার চিত্ত
- সব কাজে হাত লাগাই মোরা সব কাজেই
- সব দিবি কে, সব দিবি পায়
- সবারে করি আহ্বান
- সবে মিলি গাও রে, মিলি মঙ্গলাচরো
- সমুখে শান্তিপারাবার
- সংসারেতে চারি ধার করিয়াছে অন্ধকার
- সহসা ডালপালা তোর উতলা যে
- সহে না যাতনা দিবন গণিয়া গণিয়া বিরলে
- সাধ ক’রে কেন, সখা, ঘটাবে গেরো
- সাধের কাননে মোর রোপণ করিয়াছিনু
- সারা নিশি ছিলেম শুয়ে বিজন ভুঁয়ে
- সারা বরষ দেখি নে, মা, মা তুই আমার কেমন ধারা
- সুখে থাকো আর সুখী করো সবে
- সুখের মাঝে তোমায় দেখেছি
- সুধাসাগরতীরে হে, এসেছে নরনারী সুধারসপিয়াসে
- সুন্দরের বন্ধন নিষ্ঠুরের হাতে ঘুচাবে কে
- সুমঙ্গলী বধূ, সঞ্চিত রেখো প্রাণে স্নেহমধু
- সুমধুর শুনি আজি, প্রভু, তোমার নাম
- সুরের জালে কে জড়ালে আমার মন
- সে আসি কহিল, ‘প্রিয়ে, মুখ তুলে চাও।’
- সে কি ভাবে গোপন রবে লুকিয়ে হৃদয় কাড়া
- সে কোন্ পাগল যায় পথে তোর
- সে কোন্ বনের হরিণ ছিল আমার মনে
- সে দিন আমায় বলেছিলে আমার সময় হয় নাই
- সেই তো তোমার পথের বঁধু সেই তো
- সেই তো বসন্ত ফিরে এল
- সেই যদি সেই যদি ভাঙিল এ পোড়া হৃদি
- সোনার পিঞ্জর ভাঙিয়ে আমার
- স্বপন-লোকের বিদেশিনী কে যেন এলে কে
- স্বপনপারের ডাক শুনেছি, লেগে তাই তো ভাবি
- স্বপ্নে আমার মনে হল কখন ঘা দিলে আমার দ্বারে
- স্বরূপ তার কে জানে, তিনি অনন্ত মঙ্গল
- স্বর্গে তোমায় নিয়ে যাবে উড়িয়ে
হ
৩৭টি
- হম যব না রব, সজনী
- হম সখি দারিদ নারী
- হম, সখি, দারিদ নারী
- হরি, তোমায় ডাকি, সংসারে একাকী
- হা সখী, ও আদরে আরো বাড়ে মনোব্যথা
- হা- আ- আ- আই
- হা, কে বলে দেবে সে ভালোবাসে কি মোরে
- হাঁচ্ছোঃ!- ভয় কী দেখাচ্ছ
- হাটের ধুলা সয় না যে আর, কাতর করে প্রাণ
- হাতে লয়ে দীপ অগণন
- হায় হায় রে হায় পরবাসী হায় গৃহছাড়া উদাসী
- হায় হায় হায় দিন চলি যায়
- হায় হেমন্তলক্ষ্মী, তোমার নয়ন কেন ঢাকা
- হারে রে রে রে রে, আমায় ছেড়ে দে রে, দে রে
- হাসি কেন নাই ও নয়নে
- হিমের রাতে ওই গগনের দীপগুলিরে
- হিয়া কাঁপিছে সুখে কি দুখে সখী
- হিয়া-মাঝে গোপনে হেরিয়ে তোমারে
- হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে ময়ূরের মতো
- হৃদয় আমার, ওই বুঝি তোর ফাল্গুনী ঢেউ আসে
- হৃদয় মোর কোমল অতি
- হৃদয়-আবরণ খুলে গেল
- হৃদয়ক সাধ মিশাওল হৃদয়ে
- হৃদয়ক সাধ মিশাওল হৃদয়ে, কণ্ঠে শুখাওল মালা
- হৃদয়ে ছিলে জেগে দেখি আজ শরতমেঘে
- হৃদয়ে মন্দ্রিল ডমরু গুরু গুরু
- হৃদয়ে রাখো গো, দেবী, চরণ তোমার
- হৃদয়ের মণি আদরিণী মোর, আয় লো কাছে আয়
- হে অনাদি অসীম সুনীল অকূল সিন্ধু
- হে আকাশবিহারী-নীরদবাহন জল
- হে নূতন, দেখা দিক আর-বার
- হে ভারত, আজি তোমারি সভায় শুন এ কবির গান
- হে মন, তারে দেখো আঁখি খুলিয়ে
- হে মাধবী, দ্বিধা কেন, আসিবে কি ফিরিবে কি
- হে সন্ন্যাসী হিমগিরি ফেলে নীচে নেমে এলে কিসের জন্য
- হেমন্তে কোন্ বসন্তেরই বাণী পূর্ণশশী
- হ্যাদে গো নন্দরানী, আমাদের শ্যামকে ছেড়ে দাও
বাংলা
English