বৈশিষ্ট্যযুক্ত প্রবন্ধ
বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস: যে সভ্যতার শিকড় হাজার বছরের
- Sub Title: নদীবদ্ধ বদ্বীপে জনপদ, নগরসভ্যতা, রাজবংশ ও বাণিজ্যের দীর্ঘ ধারাবাহিকতা
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ইতিহাস
বাংলাদেশ—নদীমাতৃক এই ভূখণ্ডের পরিচয় শুধু একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ইতিহাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মাটির গভীরে লুকিয়ে রয়েছে হাজার বছরের জনবসতি, নগরসভ্যতা, কৃষি, বাণিজ্য, ধর্মীয় চিন্তা, শিল্পকলা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের ইতিহাস। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও করতোয়ার মতো অসংখ্য নদ-নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন, অর্থনীতি ও সভ্যতা।
শীতের ছুটিতে কুষ্টিয়া ভ্রমণ: কোথায় যাবেন, কী দেখবেন এবং কীভাবে যাবেন?
- Sub Title: লালনের আখড়া, রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ আর গড়াই-তীর — থাকা-খাওয়া ও দুই দিনের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনাসহ শীতের কুষ্টিয়া ভ্রমণ গাইড
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ঐতিহ্য
শীতের সকালে কুয়াশার চাদরে ঢাকা গ্রামবাংলা, পদ্মা ও গড়াই নদীর শান্ত পরিবেশ, বাউল গানের সুর আর ইতিহাস-ঐতিহ্যের অসংখ্য নিদর্শন—সব মিলিয়ে কুষ্টিয়া হতে পারে আপনার শীতকালীন ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক জনপদগুলোর মধ্যে কুষ্টিয়ার অবস্থান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি, বাউল সাধক ফকির লালন শাঁইজীর আখড়াবাড়ি, সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা, ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ কিংবা গড়াই নদীর পাড়—প্রতিটি স্থানই বহন করে আলাদা ইতিহাস ও ঐতিহ্য। বিশেষ করে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় কুষ্টিয়া ভ্রমণের জন্য বেশ উপযোগী। আবহাওয়া তুলনামূলক শীতল থাকে, দিনের বেলায় ঘোরাঘুরি করা যায় স্বাচ্ছন্দ্যে। পরিবার, বন্ধু কিংবা একক ভ্রমণ—সব ধরনের পর্যটকের জন্যই কুষ্টিয়ায় রয়েছে দেখার মতো অনেক কিছু।
লালন সাঁই মানবজাতির আলোকবর্তিকা: ভারতীয় হাইকমিশনার
- Sub Title: ১৩৬তম তিরোধান স্মরণে ঢাকায় আইজিসিসির ‘লালন সন্ধ্যা’
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ ফকীর লালন শাঁহ
ফকির লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত হলো ‘লালন সন্ধ্যা’। ভারতীয় হাই কমিশনের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের আয়োজনে শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
মাইজভান্ডার দরবার শরীফের ইতিহাস: সৈয়দ আহমদ উল্লাহ থেকে লাখো ভক্তের ওরস
- Sub Title: বাংলার নিজস্ব সুফি তরিকার প্রাণকেন্দ্র — ১৮৫৭-র পত্তন থেকে আজকের লাখো-ভক্তের ওরস
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ইতিহাস
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির একটি ছোট্ট গ্রাম — মাইজভান্ডার। বাংলার মাটিতে জন্ম নেওয়া একমাত্র সুফি তরিকার প্রাণকেন্দ্র এই গ্রাম। প্রতি বছর মাঘ মাসে এখানে যে ওরসে লাখো মানুষের ঢল নামে, তার বীজ বুনেছিলেন এক আলেম-সাধক — যিনি যশোর অঞ্চলের কাজীর চাকরি ছেড়েছিলেন, কলকাতার মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের আসনও ছেড়েছিলেন, সব ছেড়ে বেছে নিয়েছিলেন আধ্যাত্মিক জীবন। গাউছুল আজম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (১৮২৬–১৯০৬)-এর হাতে পত্তন হওয়া মাইজভান্ডার দরবার শরীফের পুরো ইতিহাস, উত্তরসূরিদের ধারা, হাজারো মাইজভান্ডারী গান আর কবিয়াল রমেশ শীলের সংগীতজগৎ — সব মিলিয়ে এই প্রবন্ধ।
বাংলা
English