বৈশিষ্ট্যযুক্ত প্রবন্ধ
রাস পূর্ণিমা: কার্তিক পূর্ণিমার প্রদীপ আর রাধাকৃষ্ণের রাসলীলার উৎসব
- Sub Title: শাস্ত্রের শারদরাস থেকে দুবলার চরের শতবর্ষী রাসমেলা—বাংলার বৈষ্ণব উৎসবের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ঐতিহ্য
কার্তিক মাসের পূর্ণিমার রাতে, যখন নদী-সাগরের পাড়ে হাজারো প্রদীপ জ্বলে ওঠে আর বাঁশির সুরে রাধা-কৃষ্ণের রাসলীলা ফুটে ওঠে, তখন বাঙালি পালন করে রাস পূর্ণিমা—কার্তিক পূর্ণিমার বৈষ্ণব রূপ। শাস্ত্রের শারদরাস থেকে সুন্দরবনের দুবলার চরের শতবর্ষী রাসমেলা, নবদ্বীপের শাক্তরাস থেকে মণিপুরের রাসনৃত্য—রাস পূর্ণিমা বাংলা ও বাঙালির এক বিস্তৃত উৎসব-ঐতিহ্যের নাম।
নবান্ন: নতুন ধানের অন্নে ফুটে ওঠা বাংলার হেমন্ত-উৎসব
- Sub Title: পয়লা অগ্রহায়ণে ঘরে ঘরে নতুন ধানের অন্ন, পিঠা ও আলপনায় ফসলের আনন্দ
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ঐতিহ্য
শীত আসার ঠিক আগে, বাংলার মাঠে-ঘাটে যখন সোনালি আমন ধান ঘরে উঠতে শুরু করে, পয়লা অগ্রহায়ণ থেকে শুরু হয় বাঙালির সবচেয়ে পুরনো ফসল-উৎসবগুলোর একটি—নবান্ন। নতুন ধানের অন্ন রেঁধে আগে দেবতা ও পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে নৈবেদ্য, তারপর নতুন গুড়সহ নতুন অন্ন খাওয়া, পিঠা-পায়েস বিনিময় আর আলপনায় ঘর সাজানো—মূলত ধান-ভিত্তিক কৃষি সভ্যতার এই উৎসবটিই বাঙালির ফসলের প্রতি কৃতজ্ঞতার প্রাচীনতম প্রকাশ।
বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস: যে সভ্যতার শিকড় হাজার বছরের
- Sub Title: নদীবদ্ধ বদ্বীপে জনপদ, নগরসভ্যতা, রাজবংশ ও বাণিজ্যের দীর্ঘ ধারাবাহিকতা
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ইতিহাস
বাংলাদেশ—নদীমাতৃক এই ভূখণ্ডের পরিচয় শুধু একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ইতিহাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মাটির গভীরে লুকিয়ে রয়েছে হাজার বছরের জনবসতি, নগরসভ্যতা, কৃষি, বাণিজ্য, ধর্মীয় চিন্তা, শিল্পকলা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের ইতিহাস। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও করতোয়ার মতো অসংখ্য নদ-নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন, অর্থনীতি ও সভ্যতা।
শীতের ছুটিতে কুষ্টিয়া ভ্রমণ: কোথায় যাবেন, কী দেখবেন এবং কীভাবে যাবেন?
- Sub Title: লালনের আখড়া, রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ আর গড়াই-তীর — থাকা-খাওয়া ও দুই দিনের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনাসহ শীতের কুষ্টিয়া ভ্রমণ গাইড
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ঐতিহ্য
শীতের সকালে কুয়াশার চাদরে ঢাকা গ্রামবাংলা, পদ্মা ও গড়াই নদীর শান্ত পরিবেশ, বাউল গানের সুর আর ইতিহাস-ঐতিহ্যের অসংখ্য নিদর্শন—সব মিলিয়ে কুষ্টিয়া হতে পারে আপনার শীতকালীন ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক জনপদগুলোর মধ্যে কুষ্টিয়ার অবস্থান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি, বাউল সাধক ফকির লালন শাঁইজীর আখড়াবাড়ি, সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা, ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ কিংবা গড়াই নদীর পাড়—প্রতিটি স্থানই বহন করে আলাদা ইতিহাস ও ঐতিহ্য। বিশেষ করে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় কুষ্টিয়া ভ্রমণের জন্য বেশ উপযোগী। আবহাওয়া তুলনামূলক শীতল থাকে, দিনের বেলায় ঘোরাঘুরি করা যায় স্বাচ্ছন্দ্যে। পরিবার, বন্ধু কিংবা একক ভ্রমণ—সব ধরনের পর্যটকের জন্যই কুষ্টিয়ায় রয়েছে দেখার মতো অনেক কিছু।
বাংলা
English