কোন রসিকে মোহন বাঁশি বাজাল, মোরে জ্বালাল,
কোন রসিকে মোহন বাঁশি বাজাল।।কুলবতী সতী আমি ছিলাম অন্তঃপুর,
শুনি মোহন বাঁশীর সুর,
প্রেমসূত্রের আকর্ষণে পুরীর বাহির করিল, মোরে জ্বালাল।।রসিক বাঁকা মাইজভাণ্ডারের কদমতলে বই,
আঁখি ঠারে কথা কই,
অবালারে প্রাণে মারি ফাঁকি দিয়ে পলাল, মোরে জ্বালাল।।ধ্যান যোগে মোহন মূরতি সর্বক্ষণ,
হের ওরে অবোধ মন,
ঘরে কিবা বাহিরে থাক কিবা বন জঙ্গল, মোরে জ্বালাল।।বন্ধুর রূপ ধ্যান করিতে প্রেমে মত্ত মন,
কিসের নির্জন-সর্জন,
সদা বিরাজিত যিনি তোমারি অন্তঃস্থল, মোরে জ্বালাল।।ঘুমে কি চেতনে কিবা ঘরে সমাজে,
কিবা যে কোন কাজে,
সদা ধ্যানে সদানন্দ পাবে পদযুগল, মোরে জ্বালাল।।স্মরণ করলে চরণ মিলে শাস্ত্রের বচন,
সদা করিতে স্মরণ,
‘ফজকুরুণী আজকুরুকুম’ জগতপতি জানাল, মোরে জ্বালাল।।জগত-যাতনা হতে হও রে শান্ত মন,
করি আত্মসমর্পণ,
দুঃখ-সুখ তারই লীলা হে করিম পাগল, মোরে জ্বালাল।।
লেখকঃ বজলুল করিম মন্দাকিনী
বাংলা
English
