“✨ ১২ বছরের গল্প, ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সঙ্গে কুষ্টিয়াশহর.কম”

Select your language

 কালা বলে দিন ফুরাইল ডুবে এলো বেলা
কালা বলে দিন ফুরাইল ডুবে এলো বেলা
  • Sub Title: সদায় বল কালা

কালা বলে দিন ফুরাইল ডুবে এলো বেলা
সদায় বল কালা॥

কালা কালা বলে কেন হইয়াছ উতালা
গোপনে সে গাঁথে মালা, প্রকাশিলে জ্বালা।
ঐ কালা, কালা নয়।
ঐ কালাতে কিবা হয়
কৃষ্ণ কালা বলে কেন ভুলে রইছ, ও ভোলা
সে কালা।
সে কালা তো জন্ম নেয় নাই দৈবকিনীর ঘরে
ষোল শত গোপিনীর সঙ্গে খেলা নারে করে।
থাকে বৈসে একেলা
চার যুগে তাহার খেলা
কালা যেন গুণমণি, হাতে চৌদ্দ তালা
সে কালা।
মথুরাতে কৃষ্ণ কালা, অর্জুনের হয় শালা
সুভদ্রা ভগ্নী তাহার, অভিমন্যু তাহার পোলা।
দেখ রে কেমন জ্বালা
মিছে কেন বল কালা
কালার ঘরে বাতি জ্বলে অন্ধকারে উজালা
সে কালা।
ফকির লালন বলে, মায়ার জালে বুঝি আমার প্রাণ যায়
আমি চার যুগ ভরে বেড়াই ঘুরে, দেখি সেই কালা দয়াময়।
সে তোরে নিঠুর কালা
নাইকো তার বিচ্ছেদ-জ্বালা
আবার চক্ষু বুজে জপমালা, নাম ‘লা-শরিকালা’
সে কালা।৷
————
হারামণি, ৫ম খণ্ড, পৃ. ১১৮
গানটির স্তবক-বিন্যাস, সুর-কাঠামো ও ছন্দ-রীতি অভিনব। এরূপ আঙ্গিকের গান কমই আছে। এর ছন্দ-রীতিটি এরূপ : খখ গগক। এখানে একটি অতিরিক্ত স্তবকও আছে। এখানে মহাভারতের অনেক চরিত্র এসেছে। লালন হিন্দু-ঐতিহ্যের ব্যবহারে সিদ্ধহস্ত ছিলেন। কাব্যে হিন্দু ও মুসলিম ঐতিহ্যের দক্ষতার সাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে একমাত্র কাজী নজরুল ইসলামের সাথেই তার তুলনা করা চলে।

Add comment
কোন প্রকার অশ্লীল কমেন্ট করা যাবে না, করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লালন গীতি এর নতুন প্রবন্ধ

 খাকে গড়লো পিঞ্জিরে
খাকে গড়লো পিঞ্জিরে

খাকে গড়লো পিঞ্জিরে

  • Sub Title: এ শুকপাখি আমার কিসে গঠেছে রে
 এমন সৌভাগ্য আমার কবে হবে
এমন সৌভাগ্য আমার কবে হবে

এমন সৌভাগ্য আমার কবে হবে

  • Sub Title: দয়াল চাঁদ আসিয়ে মোরে পার করে নিবে
 মরে ডুবতে পারলে হয়
মরে ডুবতে পারলে হয়

মরে ডুবতে পারলে হয়

  • Sub Title: যদি মরা ভেসে উঠে কিসে ফল তায়

সর্বশেষ পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

তথ্য সম্পর্কে খবর

আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন এবং আপডেট থাকুন