ও মা যশোদা, তোর কৃষ্ণ ধনকে
দেখো গোষ্ঠে যায়।সব রাখালে গেছে গোষ্ঠে
বাকি কেবল কানাই বলাই।
উঠ রে ভাই নন্দের কানু
বাথানেতে বাঁধা ধেনু
গগনে উঠেছে ভানু
আর তো নিশি নাই।
কেন ঘুমায়ে র’লি মায়ের কোলে
এখনও ঘুম ভাঙ্গে নাই।
গো-চরাণে গোষ্ঠের পথে
কষ্ট নাই মা গোষ্ঠে যেতে
আমরা সবে স্কন্ধে করে
গোপাল লয়ে যাই।
তোর গোপালের ক্ষুধা হলে
দণ্ডে দণ্ডে ননী খাওয়াই।
আমরা যত রাখালগণে
ফিরি সবে বনে বনে
মুনিগণের দ্বারে দ্বারে
কত ভিক্ষা চাই।
ফল আমরা আগে দেখি খেয়ে
মিঠা হলে তোর গোপালকে খাওয়াই।।————
বাউল কবি লালন শাহ, পৃ. ৩১৩
স্তবক-বিন্যাসে চরণ-সংখ্যার হাস-বৃদ্ধি করে লালন গানের সুরে ও ছন্দে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করেন। এ গানে ছোট বড় ৬টি চরণ দ্বারা স্তবককে প্রলম্বিত করা হয়েছে। এর ছন্দ-রীতিটি এভাবে দেখানো যায় : খখখক গক।
ও মা যশোদা, তোর কৃষ্ণ ধনকে
- Sub Title: দেখো গোষ্ঠে যায়
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ লালন গীতি
- পঠিত হয়েছেঃ 128
লালন গীতি এর নতুন প্রবন্ধ
গুরু ধরো করো ভজনা
- Sub Title: তবে হবে তোর সাধনা
কি সাধনে আমি পাই গো তারে
- Sub Title: ও সে ব্ৰহ্মা বিষ্ণু ধ্যানে পায় না যারে
জীব মরে যায় জীবান্তরে
- Sub Title: জীবের গতি মুক্তি রয় ভক্তির দ্বারে
না পড়িলে দায়েমি নামাজ সে কি রাজি হয়
- Sub Title: কোথায় খোদা কোথায় সেজদা করছো সদাই
শুদ্ধপ্রেমের প্রেমিক মানুষ যে জন হয়
- Sub Title: মুখে কথা কউক বা না কউক
কুদরতের সীমা কে জানে
- Sub Title: আপনি করে আপন জিগির
যে রূপে সাঁই আছে মানুষে
- Sub Title: রসের রসিক না হলে কি পাবে তার দিশে
নজর একদিক দিলে আর একদিকে অন্ধকার হয়
- Sub Title: নূরে নীরে দুটি নিহার কোনটিরে ঠিক রাখা যায়
সকলই কপালে করে
- Sub Title: কপালের নাম গোপালচন্দ্র
আমার এ ঘরখানায় কে বিরাজ করে - ভবের হাট
- Sub Title: আমি জনম-ভর একদিন দেখলাম নারে
পড় গে নামাজ ভেদ বুঝে সুঝে
- Sub Title: সুঝে
খালি ভাঁড় থাকবে রে পড়ে
- Sub Title: দিনে দিন কর্পূর তোর যাবে রে উড়ে
বাংলা
English 