বৈশিষ্ট্যযুক্ত প্রবন্ধ
লালন শাহ সেতু ও হার্ডিঞ্জ ব্রীজ পর্যটকদের দর্শনীয় স্থান
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ ভেড়ামারা
পদ্মার কোলে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ছেয়ে থাকা দক্ষিণ জনপদের দ্বারপ্রান্ত ভেড়ামারা ও পাকশী বেড়ানোর এক অপরূপ নিসর্গে পরিণত হয়েছে। এখানে এলে রূপসী পদ্মার ঢেউয়ের কলধ্বনি, চারদিকে সবুজের বেষ্টনী ও উত্তাল হাওয়ার পরশে যেমন হৃদয় ভরিয়ে দেয়। তেমনি এ এলাকায় রয়েছে ইতিহাস ও প্রাচীন কীর্তিসহ বিংশ শতাব্দীর প্রথম ও দেশের বৃহত্তম রেল সেতু হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম লালন শাহ সেতু।
নীলকর জমিদারদের প্রধান ঘাঁটি কুষ্টিয়া
- Sub Title: The main bases of the indigo planter in Kushtia
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ মিরপুর
ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে কুষ্টিয়া জেলায় কয়েকজন নীলকর জমিদারি ক্রয় করেছিলেন। নীলকর ইংরেজগণ জোরপূর্বক প্রজাদের দাদন দিয়ে নীলচাষ করাতো। জন এন্ড ওয়াটসন কোম্পানির কুষ্টিয়া কুমারখালী ও খোকসায় কয়েকশ বর্গমাইল এলাকায় জমিদারি ছিল। এ অঞ্চলে সবচাইতে উৎকৃষ্ট মানের নীলচাষ হওয়ায় জমিদাররা প্রজা সাধারণকে দিয়ে জোরপূর্বক নীলচাষ করাতো। এ নীল আবাদের জন্য জমিদার, নীলকর, জোতদার প্রভৃতি সামন্ত প্রভুরা প্রজা জনসাধারণের ওপর অকথ্য অত্যাচার চালাতো। প্রজার জমির ওপর কোনো অধিকার ছিল না।
প্রাচীন জনপদ কুমারখালী
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ কুমারখালী
প্রাচীন জনপদ কুমারখালী। এর ইতিহাস-ঐতিহ্য কুষ্টিয়ার চেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রাচীনতর। তাই ইংরেজ আমলের গোড়ার দিকে কুষ্টিয়ার পরিচয় দিতে বলা হতো "কুমারখালী-কুষ্টিয়া"। বাউলসম্রাট লালন শাহ, সাধক কাঙাল হরিনাথ, মোজাহেদ-নেতা কাজী মিয়াজান, বিপ্লবী-বীর বাঘা যতীন, সাহিত্যরথী মীর মশাররফ হোসেন, প্রজা-আন্দোলনের পুরোধা শামসুদ্দিন আহমদ প্রমুখ কুমারখালী থানার কৃতি সন্তান।
পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ মিরপুর
১৮৬৭ সালে তদানিন্তন ব্রিটিশ সরকার দর্শনা হতে জগতি পর্যন্ত রেল লাইন স্থাপন করেন এবং এরপর পর্যায় ক্রমে সংস্কার হয়। পোড়াদহ রেল যোগে রাজশাহী, ঢাকা, রাজবাড়ী, খুলনা ইত্যাদি জায়গায় যাওয়া যায়। ১৮৯৭ সালে দর্শনা–পোড়াদহ সেকশনটি সিঙ্গেল লাইন থেকে ডাবল লাইনে উন্নীত করা হয়। পর্যায়ক্রমে ১৯০৯ সালে পোড়াদহ–ভেড়ামারা, ১৯১৫ সালে ভেড়ামারা–ঈশ্বরদী এবং ১৯৩২ সালে ঈশ্বরদী–আব্দুলপুর সেকশনগুলোকে ডাবল লাইনে উন্নীত করা হয়।