শরতের প্রথম ঠান্ডা নামলেই পশ্চিমের শহরগুলোতে কুমড়ার রাজত্ব শুরু হয়—কারো বারান্দায় হাসিমুখ কেটে বসা জ্যাক-ও-ল্যান্টার্ন, জার্মানির এক প্রাসাদের বাগানে হাজারো কুমড়ার রঙিন প্রদর্শনী, আর আমেরিকার মেলায় হাজার পাউন্ড ওজনের বিশাল কুমড়ার প্রতিযোগিতা। অক্টোবর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মিষ্টি কুমড়া ঘিরে বসে ফসলের উৎসব—যেখানে কুমড়া হয় শিল্প, খাবার, খেলা আর কিংবদন্তির নায়ক।
কুমড়া কেন শরতের উৎসবের নায়ক
মিষ্টি কুমড়া বসন্তে রোপণ হয়, আর শরতের শেষে—ঠিক অক্টোবর মাসে—পাকে। তাই যে-সভ্যতায় শরতে ফসল ঘরে তোলার উদ্যাপন, সেখানেই কুমড়া পৌঁছে যায় মেজাজের সিংহাসনে। আমেরিকায় কুমড়া স্থানীয় ফসল, আর অক্টোবরের শেষ রাতের হ্যালোউইনের সঙ্গে এর সম্পর্ক এত গভীর যে কুমড়া ছাড়া হ্যালোউইন ভাবাই যায় না। কিন্তু আগে বলে নিই—হ্যালোউইনের জ্যাক-ও-ল্যান্টার্নের শিকড় আসলে কুমড়ায় নয়, শালগমে।
জ্যাক-ও-ল্যান্টার্নের গল্প
আঠারো শতকের মাঝামাঝির এক আইরিশ কিংবদন্তি বলে, চালাক লোহার কারিগর 'স্টিংি জ্যাক' একবার শয়তানকেই ফাঁদে ফেলে দেন। ফলে স্বর্গেও তার জায়গা হয় না, নরকেও নয়। অন্ধকারে পথ চালানোর জন্য শয়তান তাকে এক টুকরো জ্বলন্ত কয়লা দেয়, আর জ্যাক সেটি ফোঁড়া শালগমের খোলের ভেতরে ভরে পৃথিবী মেঘে ঘুরতে থাকেন—'লণ্ঠনওয়ালা জ্যাক' বা জ্যাক-ও-ল্যান্টার্ন। উনিশ শতকে আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে শালগমের খোল কেটে ভুতুড়ে মুখে লণ্ঠন বানিয়ে দুষ্ট আত্মা তাড়ানোর চল ছিল। অভিবাসীরা এই রেওয়াজ আমেরিকায় নিয়ে গেলে দেখেন—এখানে শালগমের চেয়ে কুমড়া সহজলভ্য, বড়, আর কাটাও সহজ। সেখান থেকেই শালগমের চেয়ারে কুমড়া বসে যায়: আমেরিকান ইংরেজিতে কাটা কুমড়ার জন্য 'জ্যাক-ও-ল্যান্টার্ন' শব্দের প্রথম ব্যবহার জানা যায় ১৮৩৭ সালে, আর হ্যালোউইনে কুমড়া-লণ্ঠনের খবর ছাপা হয় ১৮৬৬ সালে কানাডার এক পত্রিকায়।

হ্যালোউইনে কাটে বানানো জ্যাক-ও-ল্যান্টার্ন (ছবি: Tim Evanson / Wikimedia Commons, CC BY-SA 2.0)
সার্কলভিল পাম্পকিন শো: 'পৃথিবীর বৃহত্তম বিনামূল্যের মেলা'
আমেরিকার ওহাইও অঙ্গরাজ্যের সার্কলভিল শহর (কলাম্বাস থেকে প্রায় ৩০ মাইল দক্ষিণে) ১৯০৩ সাল থেকে পাম্পকিন শো আয়োজন করে। শুরুটা ছোটখাটো—ওই বছরের শরতে মেয়র জর্জ আর হাসওয়েল নিজের দোকানের সামনে কুমড়া আর ভুট্টার ছোট প্রদর্শনী দিয়ে ফসলের আনন্দ ভাগ করে নেন। আজ এই মেলা বসে প্রতি বছর অক্টোবরের তৃতীয় বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত, পুরো চার দিন, এবং টিকিটের দাম—শূন্য! 'পৃথিবীর বৃহত্তম বিনামূল্যের মেলা' বলে দাবি করা এই উৎসবে এক মৌসুমে বিক্রি হয় প্রায় ২৩ হাজার কুমড়া-পাই আর লাখের বেশি কুমড়া-ডোনাট; লিন্ডজে'স বেকারি প্রতি বছর বানায় 'বিশ্বের বৃহত্তম কুমড়া-পাই'। সাতটি প্যারেড, বাচ্চাদের সুন্দরী-প্রতিযোগিতা আর দর্শনার্থীর সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় চার লাখ—যুদ্ধের বছর আর ২০২০-র কোভিড ছাড়া ১৯০৩ সাল থেকে মেলাটি এমনকি ১৯১৮-১৯ সালের গ্রেট ফ্লুর মধ্যেও বসেছিল। মেলার শুভসূচনা হয় বিশাল কুমড়ার ওজন-মাপার আসরে—সাম্প্রতিক রেকর্ড ২,৩৮৮.৫ পাউন্ড (১,০৮৩ কেজি), বব ও জো লিগেটের ধান-খেতের কুমড়া, ২০২৩ সালে।
কিন থেকে লাকোনিয়া: জ্বালানো কুমড়ার গিনেস-রেকর্ড
আমেরিকার নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের কিন শহরে ১৯৯১ সালে শুরু হয় আরেক ধরনের কুমড়া-উৎসব—লক্ষ্য একটাই: একসঙ্গে যত বেশি সম্ভব কুমড়ায় বাতি জ্বালানো। ১৯৯১ সালে মোট কুমড়া ছিল ৬০০টি; ২০০৩ সালে ২৮,৯৫২টি জ্বালানো কুমড়া নিয়ে কিন গিনেস বিশ্বরেকর্ড করে, বস্টন শহর ২০০৬ সালে রেকর্ডটা নিয়ে নিয়েছিল (৩০,১২৮), আর কিন ২০১৩ সালে ৩০,৫৮১ কুমড়া জ্বালিয়ে সেটি ফিরিয়ে আনে—মধ্যরাতের আলোয় পুরো শহর তখন হাজারো হাসিমুখের সমুদ্র। ২০১৪ সালে উৎসবের কাছাকাছি ছাত্রদলের উন্মাদনার পর শহর পরবর্তী বছরের অনুমতি দিতে অস্বীকার করে; উৎসবটি ২০১৫ সাল থেকে প্রতিবেশী শহর লাকোনিয়ায় চলছে এবং এখনো অক্টোবরের মাঝ-শেষের সবচেয়ে আলোচিত কুমড়া-আসরগুলোর একটি।
জার্মানির লুডভিগসবুর্গ: বিশ্বের বৃহত্তম কুমড়া-প্রদর্শনী
কুমড়া-উৎসবের বিশ্ব-চ্যাম্পিয়ন তবে জার্মানির। স্টুটগার্টের কাছে লুডভিগসবুর্গ শহরের রাজপ্রাসাদের ব্লুহেন্ডেস বারোক বাগানে ২০০০ সাল থেকে বসে লুডভিগসবুর্গ পাম্পকিন ফেস্টিভাল, যেটি প্রতি বছর 'বিশ্বের বৃহত্তম কুমড়া-প্রদর্শনী' বলে পরিচিত। সুইজারল্যান্ডের জুকার ভাইয়েরা ১৯৯৭ সালে নিজেদের বাগানে শুরু করেছিলেন যে প্রদর্শনী, তা তিন বছর পরেই এই প্রাসাদের বাগানে এসে বসে। উৎসবটি শেষ আগস্ট থেকে নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত চলে (২০২৬ সালে ২২ আগস্ট থেকে ১ নভেম্বর)। বাগানজুড়ে রঙিন কুমড়ার স্তূপের মাঝে বসানো থাকে প্রতি বছরের নতুন থিমে বানানো বিশাল কুমড়া-ভাস্কর্য—কেউ ভাস্কর্যের রূপ নেয় রূপকথার চরিত্রে, কেউ জানুয়ারির প্রাণীতে। এখানেই বসে ইউরোপ ও জার্মানির কুমড়া-ওজন চ্যাম্পিয়নশিপ, আর খাবারের স্টলে মেলে কুমড়ার স্যুপ, কুমড়া-ফ্রাই, কুমড়া-স্পেৎজলে এমনকি কুমড়ার আইসক্রিম।

লুডভিগসবুর্গ উৎসবে কুমড়া দিয়ে বানানো ডাইনি-ভাস্কর্য (ছবি: Llez / Wikimedia Commons, CC BY-SA 3.0)
বিশাল কুমড়ার ওজন-প্রতিযোগিতা: ৩,০০০ পাউন্ড ছাড়ানো দৌড়
শরতের আরেক বিশেষ আসর হলো জায়ান্ট পাম্পকিন ওয়ে-অফ—কে বানাতে পারে পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী কুমড়া। আজকের বিশাল কুমড়াগুলোর বেশিরভাগের পূর্বপুরুষ নোভা স্কোশিয়ার হাওয়ার্ড ডিলের বাছাই করা 'ডিলস অ্যাটল্যান্টিক জায়ান্ট' জাত; বিজয়ী কুমড়ার বীজ নিলামে ৮৫০ ডলার পর্যন্ত বিক্রি হয়, আর চাষিরা ঘোড়দৌড়ের ঘোড়ার মতো বীজের বংশলতিকা খোঁজেন। রেকর্ডের যাত্রাটা দারুণ: ১৮৯৩ সালে শিকাগো ওয়ার্ল্ডস ফেয়ারে উইলিয়াম ওয়ার্নকের কুমড়া ছিল ৩৬৫ পাউন্ড; ২০২৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার হাফ মুন বের বিখ্যাত ওয়ে-অফে ট্রাভিস গিঙ্গার রেকর্ড করেন ২,৭৪৯ পাউন্ড (১,২৪৭ কেজি); আর এই অক্টোবরেই, ২০২৬ সালে, এক সপ্তাহের মধ্যে রেকর্ড ভেঙেছে দুইবার—৩ অক্টোবর ব্রিটেনের ইয়ান প্যাটন নেন ২,৮৫৬.৮ পাউন্ড, তার মাত্র সাত দিন পরে ১০ অক্টোবর আমেরিকার রন ওয়ালেস রোড আইল্যান্ডে নিয়ে যান ইতিহাসের প্রথম ৩,১৫৬ পাউন্ড (১,৪৩১ কেজি) কুমড়া। কথায় কথায় শোনা যায়, এক কুমড়া দিনে ৫০ পাউন্ড পর্যন্ত ওজন বাড়াতে পারে—ওজনের ৯৪ শতাংশই পানি!

আমেরিকার অবার্ন কমিউনিটি ফেস্টিভালে ওজন-প্রতিযোগিতায় বিশাল কুমড়া (ছবি: Nick Ares / Wikimedia Commons, CC BY-SA 2.0)
কুমড়ার আরও উৎসব
তালিকা এখানেই থামে না। আমেরিকার ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের মর্টন গ্রামটি নিজেকে ডাকে 'পাম্পকিন ক্যাপিটাল অব দ্য ওয়ার্ল্ড'—স্থানীয় দাবি, পৃথিবীর ব্যবহৃত ক্যানড পাম্পকিনের ৯৯ শতাংশই এখানকার লিবি'স কারখানায় তৈরি, আর প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে চার দিনের মর্টন পাম্পকিন ফেস্টিভাল বসে। কেউ কেউ বানিয়ে ফেলেন কুমড়া-কামান—'পাম্পকিন চাঙ্কিং' নামের প্রতিযোগিতায় ছাদের ইট দিয়ে বানানো যন্ত্র থেকে কুমড়া ছোঁড়া হয় শত শত মিটার দূরে। কোথাও কোথাও বিশাল কুমড়ার খোলস ফুঁড়ে নৌকা বানিয়ে হয় রেগাটা—পানিতে ভাসমান কুমড়া-নৌকার দৌড় শরতের সবচেয়ে মজার দৃশ্যগুলোর একটি।
বাংলাদেশের মানুষ কেন মিষ্টি কুমড়া এত ভালোবাসে
পশ্চিমের দেশে কুমড়া এক মৌসুমের অতিথি হলে বাংলাদেশে মিষ্টি কুমড়া প্রায় সারা বছরের সঙ্গী। গ্রামের উঠোনে, মাঠের আইলে, পুকুরপাড়ে বাঁশ আর পাটের দড়ির ছাউনিতে কুমড়াগাছ বেয়ে বেয়ে বড়ে ওঠে, আর মৌসুমে সেই ছাউনি ভরে যায় সোনালি কুমড়ায়। কুমড়া সস্তা, হজে সহজ, হাটবাজারে বছরের বেশিরভাগ সময়ই হাতের নাগালে থাকে—তাই সাধারণ মানুষের পাতে এর ঠিকানা পাকা। পুষ্টিতেও সে কম নয়: কুমড়ায় থাকে বিটা-ক্যারোটিন, যা শরীরে ভিটামিন অ্যাতে রূপ নেয়, সঙ্গে থাকে ফাইবারও। শীতের সকালে ভাতের সঙ্গে গরম কুমড়ার ঘন্ট পেলে অনেকেরই দিন শুরু হয় আলাদা স্বাদে।
কুমড়া দিয়ে বাঙালির রান্নাঘর
বাঙালি রান্নায় মিষ্টি কুমড়ার অভিনয় বিশাল। প্রতিদিনের বাড়িতে হয় কুমড়ার চাঁচ্কি আর ঝোল, ভাতের পাশে কুমড়া ভর্তা, আর বিয়েবাড়ির ভোজে কুমড়ার ঘন্ট না থাকলে ভোজ অসম্পূর্ণ—শরীরে মুগুর মারা মিষ্টি-নোনতা এই ঘন্ট বাংলাদেশের খাদ্য-সংস্কৃতির নিজস্ব সম্পদ। শীতের সকালে ভাজা হয় নরম কুমড়ার ডগা আর শাক, বীজ ভেজে খাওয়া হয় বাদামের মতো। শীতের মেলা আর চায়ের দোকানে মিষ্টি কুমড়ার বড়ার স্টল আজও ভিড় টানে—বেসনের ঘোলে ডুবিয়ে ভাজা গরম কুমড়া-বড়া ধনেপাতার চাটনির সঙ্গে শীতের সবচেয়ে প্রিয় নাস্তাগুলোর একটি। ঘন কুমড়া দিয়ে হালুয়াও হয়, চালকুমড়া আবার ভিন্ন স্বাদের—আর নবান্নের নতুন চালের ভোজে কুমড়াও পায় সোনালি আসন।
বাংলাদেশে কুমড়া-উৎসব কীভাবে পালন করা যায়
বাংলাদেশে এখনো নিয়ম করে কুমড়া-উৎসব হয় না, তবে এখানকার মাটি আর মানুষ দুটোই এই উৎসবের জন্য তৈরি—নবান্ন বা শীতের মেলার সঙ্গে জুড়ে দিলেই কুমড়ার নিজস্ব উৎসব দাঁড়িয়ে যায়। পরিবারে পালনের সবচেয়ে সহজ পথ: শীতের এক বিকেলে পুরো পরিবারের কুমড়া-আসর বসান—কুমড়া কেটে মুখ আঁকুন, মোমবাতি জ্বালান, মেঝেতে বসে গল্প করুন, আর সন্ধ্যায় সেই কুমড়া কেটেই ঘরে বানিয়ে ফেলুন কুমড়ার ঘন্ট বা ভর্তা। আমেরিকার হ্যালোউইনে কাটা কুমড়া শুধু দেখার ভাস্কর্য হয়ে থেকে যায়, বাংলার কুমড়া-উৎসব শেষে হাতে থাকে ঠান্ডা মুখের খাবারও।
স্কুল-কলেজে বা এলাকায় আয়োজন করতে চাইলে তিনটি প্রতিযোগিতাই যথেষ্ট: সবচেয়ে ভারী কুমড়ার ওজন-মাপা (গ্রামের হাটে যেমন প্রতিযোগিতার আম-কাঁঠালের ওজন মাপা হয়), কুমড়ায় সেরা মুখ-আঁকা বা বাংলার মোটিফে ভাস্কর্য, আর কুমড়ার খাবারের রান্না-প্রতিযোগিতা—ঘন্ট, চাঁচ্কি, বড়া, হালুয়া সবই চলবে। হাট-মেলায় আয়োজন করতে পারে বৃহত্তম-কুমড়া প্রদর্শনী, কুমড়া-বড়ার স্টল আর সেরা-চাষির পুরস্কার—কুমড়ার ছাউনি-চাষ নিয়ে কৃষকদের মুখোমুখি আড্ডা বসালে উৎসব কৃষির পাঠশালাও হয়ে ওঠে। সময়ের জন্য সবচেয়ে ভালো সুযোগ নবান্ন থেকে শীতের শুরু (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের শুরু), যখন নতুন ফসল ঘরে ওঠে আর বাজারে কুমড়া ভরি। শহরের ক্যাফে-রেস্তোরাঁগুলোতে হ্যালোউইনের থিম এখন দেখা যায়—ওই সপ্তাহটুকু বাংলাদেশি কুমড়ার খাবারের বিশেষ মেনু দিলেই বিদেশি উৎসবটি বাংলার রসে রসায়।
শেষ কথা
একটা সাধারণ শস্যকে ঘিরে কত রকম উদ্যাপন—শালগমের কিংবদন্তি কুমড়ায় এসে থামল, কুমড়া এসে ভাস্কর্যে দাঁড়াল, তারপর পাই হলো, রেকর্ড ভাঙল, নৌকাও হলো। সার্কলভিলের বিনামূল্যের মেলা থেকে লুডভিগসবুর্গের প্রাসাদ-বাগান—কুমড়ার উৎসব মূলত একটা বার্তাই রেখে যায়: মাটির ফসল ঘরে ওঠার আনন্দ মানুষ যুগে যুগে ভাগ করে নিতেই বড় হয়েছে। আগামী শরতে কুমড়ার মৌসুম আসলে কুমড়া দেখতে গিয়ে শুধু হাসিমুখের লণ্ঠন নয়, পেছনের হাজার বছরের গল্পটাও শুনে আসবেন।
বাংলা
English