আমাদের ইতিহাস
"আমাদের ইতিহাস" বিভাগে তুলে ধরা হয়েছে বাঙালির গৌরবময় অতীত, সংগ্রামী পথচলা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিক উপস্থাপন। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ, প্রাচীন সভ্যতা থেকে আধুনিক বাংলাদেশের রূপান্তর—এই বিভাগে মিলবে সেসব ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর বিশ্লেষণ যেগুলো আমাদের জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করেছে। ইতিহাস শুধু অতীত জানার মাধ্যম নয়, বরং ভবিষ্যতের পথচিন্তার দিকনির্দেশক — আর তাই এই বিভাগে আপনি পাবেন তথ্যসমৃদ্ধ, বিশ্বাসযোগ্য ও গবেষণালব্ধ লেখাসমূহ, যা আমাদের শিকড়কে জানার জানালা খুলে দেবে।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ইতিহাস
- পঠিত হয়েছেঃ 17292
কুষ্টিয়া শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সদর উপজেলার ঝাউদিয়া গ্রাম। সেখানেই অবস্থান ইতিহাসের সাক্ষী প্রাচীন এই মসজিদের। দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন এই মসজিদটি।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ইতিহাস
- পঠিত হয়েছেঃ 13455
কুমার নদের তীরে অবস্থিত শৈলকুপা শাহী মসজিদ দক্ষিণবঙ্গে সুলতানী আমলের স্থাপত্যকীর্তির একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। মসজিদটি দরগাপাড়ায় অবস্থিত।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ইতিহাস
- পঠিত হয়েছেঃ 10451
এশিয়ার বৃহত্তম এবং প্রাচীন বটগাছটি কালীগঞ্জ শহর হতে ১০ কিঃমিঃ পূর্বে মালিয়াট ইউনিয়নের বেথুলী মৌজায় অবস্থিত। বটগাছটি বর্তমানে ১১ একর জমি জুড়ে বিদ্যমান। সুইতলা-মল্লিকপুরের বটগাছ নামে এটি বিশেষভাবে পরিচিত।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ইতিহাস
- পঠিত হয়েছেঃ 7222
বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলার সদর থানায় অবস্থিত একটি পুরানো জমিদার বাড়ী। বড়ীটি স্থানীয় নবগঙ্গা নদীর উত্তর দিকে অবস্থিত। ঝিনাইদহ শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে এটি অবস্থিত। বর্তমানে বাড়ীটি ভগ্নপ্রায়।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ইতিহাস
- পঠিত হয়েছেঃ 10830
কেরু এ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলার সীমান্তবর্তী জনপদ দর্শনায় অবস্থিত একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান। এই বৃহৎ শিল্প-কমপ্লেক্সটি চিনি কারখানা, ডিষ্টিলারি, বাণিজ্যিক খামার সমন্বয়ে ও জৈব সারকারখানার সমন্বয়ে গঠিত। এর সদর দপ্তর ঢাকা, বাংলাদেশ ও দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা, আয়তন ৩৫৫৯.৮৯ একর। এটির মালিক বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ইতিহাস
- পঠিত হয়েছেঃ 9829
আমঝুপি নীলকুঠি বাংলাদেশের মেহেরপুরে অবস্থিত একটি নীলকুঠি। ব্রিটিশ শাসনামলে এদেশে নীল চাষ পরিচালনার জন্য ইংরেজরা বিভিন্ন স্থানে কুঠি গড়ে তোলে যা নীলকুঠি নামে পরিচিত।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ইতিহাস
- পঠিত হয়েছেঃ 8337
মুজিবনগর (ইংরেজি: Mujibnagar) মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান। মুজিবনগর সবচাইতে বড় ঐতিহ্য হল বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী। অস্থায়ী রাজধানীতেই শপথ নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। তৎকালীন বৈদ্যনাথতলা বর্তমান মুজিবনগর আম্রকাননে ১৭ এপ্রিল সরকারের মন্ত্রী পরিষদ শপথ নিয়েছিল। আজও যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়। মুজিবনগর এর ঐতিহ্য ধরে রাখতে এখানে নির্মান করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ ফকীর লালন শাঁহ
- পঠিত হয়েছেঃ 6983
নিজামুদ্দিনের ধারণা, হয়তো দোল পূর্ণিমার তিথিতে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন বলেই লালন তাঁর জীবদ্দশায় ফাল্গুন মাসের দোল পূর্ণিমার রাতে খোলা মাঠে শিষ্যদের নিয়ে সারারাত ধরে গান বাজনা করতেন। সেই ধারাবাহিকতায় এখনো লালন একাডেমীর প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের দোল পূর্ণিমার রাতে তিনদিন ব্যাপী লালন স্মরণউৎসব এর আয়োজন করে থাকে।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ ফকীর লালন শাঁহ
- পঠিত হয়েছেঃ 6697
নবপ্রাণ আন্দোলনের তরফে কিছু কথা
নবপ্রাণ আন্দোলনের বাংলার ভাবান্দোলনের সঙ্গে একটা নাড়ির সম্পর্ক গড়ে তোলার সাধনা করছে। এই কালে “সাধনা” কথাটার ব্যবহার বিপজ্জনক। সরল ভাবে বলা যায় আমরা বাংলার ভাবান্দোলনের সঙ্গে আনন্দের, জ্ঞানের বা প্রজ্ঞার এবং একই সঙ্গে চর্চা বা কাজের সম্পর্ক রচনার চেষ্টা করছি।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ ফকীর লালন শাঁহ
- পঠিত হয়েছেঃ 8480
মানুষের মধ্যে কতকগুলি ভাব আছে, যার কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। যেমন সৌন্দর্যবোধ। পৃথিবীতে সভ্য, অসভ্য, অর্ধসভ্য সকল জাতির মধ্যে এই সৌন্দর্যবোধ বিদ্যমান আছে।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ ফকীর লালন শাঁহ
- পঠিত হয়েছেঃ 7929
১৫ কার্ত্তিক ১২৯৭/ ৩১ অক্টোবর ১৮৯০
লালন ফকীরের নাম এ অঞ্চলে কাহারও শুনিতে বাকী নাই। শুধু এ অঞ্চলে কেন, পূর্বে চট্রগ্রাম, উত্তরে রংপুর, দক্ষিণে যশোর এবং পশ্চিমে অনেকদূর পযন্ত বঙ্গদেশের ভিন্ন ভিন্ন স্থানে বহু সংখ্যক লোক এই লালন ফকীরের শিষ্য। শুনিতে পাই ইহার শিষ্য দশ হাজারের উপর। ইহাকে আমরা স্বচক্ষে দেখিয়াছি। আলাপ করিয়া বড়ই প্রীত হইয়াছি।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ ডেস্ক রিপোর্ট
- ক্যাটাগরিঃ আমাদের ইতিহাস
- পঠিত হয়েছেঃ 8528
লোক চক্ষুর আড়ালে যে সকল আউলিয়া ও দরবেশগন পুর্ব বাংলার অখ্যাত পল্লীতে এসে ইসলাম প্রচার করেছেন এবং সভ্যতা ও ইসলামিক কৃষ্টির নিদর্শন স্বরুপ বিভিন্ন আমানত আমাদের জন্য রেখে গিয়েছেন, সেইসব হারিয়ে যাওয়া নিদর্শনের কিছু কিছু খোঁজখবর আজকাল পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের বর্তমান ইতিহাসে এগুলির বিশিষ্ট স্থান থাকা দরকার।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ ফকীর লালন শাঁহ
- পঠিত হয়েছেঃ 8333
Lalon Mela 2015
প্রতি বছরের ন্যায় এইবার ও ভালো ভাবে শেষ হলো লালন তিরোধান উপলক্ষে, লালন মেলা ২০১৫। বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চল এবং বিশ্বের অনেক স্থান থেকে লালন ভক্তরা ছুটে এসেছিলেন এই মিলন মেলায়। প্রতি বছরের তুলনায় এই বার একটু বেশী ভক্তদের আনাগোনা দেখা গেছে।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ ফকীর লালন শাঁহ
- পঠিত হয়েছেঃ 6913
মনোহর শাহ্ এর বাড়ী কুষ্টিয়া জেলার লাহিনী পাড়ায়, তখন তাঁর বয়স সাত কি আট, নিজের পাড়ার এক পাঠশালায় পড়তে যেতেন। পাঠশালা বলতে খড়ের একখানা ঘর, বাঁশের বেঞ্চিতে ৭/৮ জনের ক্লাস।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ ফকীর লালন শাঁহ
- পঠিত হয়েছেঃ 10536
125th Departure Day Of Fakir Lalon Shah
ফকির লালন শাইজি শিষ্যদের বললেন, আমি চললাম। লালন চাঁদর মুড়ি দিয়ে বিশ্রাম নিলেন, শিষ্যরা মেঝেতে বসে থাকলেন। এক সময় লালন কপালের চাঁদর সরিয়ে বললেন, তোমাদের আমি শেষ গান শোনাব।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- পঠিত হয়েছেঃ 10607
শেষ জীবন (১৯৩২-১৯৪১)
জীবনের শেষ দশকে (১৯৩২-১৯৪১) রবীন্দ্রনাথের মোট পঞ্চাশটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। তাঁর এই সময়কার কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য পুনশ্চ (১৯৩২), শেষ সপ্তক (১৯৩৫), শ্যামলী ও পত্রপুট (১৯৩৬) – এই গদ্যকবিতা সংকলন তিনটি। জীবনের এই পর্বে সাহিত্যের নানা শাখায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- পঠিত হয়েছেঃ 8108
মধ্য জীবন (১৯০১–১৯৩২)
১৯০১ সালে রবীন্দ্রনাথ সপরিবারে শিলাইদহ ছেড়ে চলে আসেন বীরভূম জেলার বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। এখানে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৮৮ সালে একটি আশ্রম ও ১৮৯১ সালে একটি ব্রহ্মমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- পঠিত হয়েছেঃ 10353
যৌবন (১৮৭৮-১৯০১)
১৮৭৮ সালে ব্যারিস্টারি পড়ার উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডে যান রবীন্দ্রনাথ। প্রথমে তিনি ব্রাইটনের একটি পাবলিক স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন। ১৮৭৯ সালে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে আইনবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন।