বাউল গান
বাউল গান বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রাণবন্ত লোকসংগীতের ধারায় এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। এই গানে আত্মার মুক্তি, প্রেমের কথা, জীবন দর্শন ও মানবতাকে সুন্দর এক সুরে মিলিয়ে আনা হয়। বাউল শিল্পীরা নিজেদের জীবনের সাধনা ও বিশ্বাসকে সুরের মাধ্যমে প্রকাশ করেন, যা মানুষের মনের গভীরে ছুঁয়ে যায়। এই ক্যাটাগরিতে আপনি বাউল গানের ইতিহাস, বিখ্যাত বাউল শিল্পী, গানের কথ্য অর্থ, জীবন দর্শনের নানা দিক এবং বাউল সঙ্গীতের অনন্য সৌন্দর্যের বিস্তারিত বর্ণনা পাবেন। বাউল গানের মাধুর্য ও তার জীবনের গভীরতা আপনাকে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ করে তুলবে।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 11
তবে কি ফিরিব ম্লানমুখে সখা,
জরজর প্রাণ কি জুড়াবে না।।
আঁধার সংসারে আবার ফিরে যাব?
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 12
দেখা যদি দিলে ছেড়ো না আর, আমি অতি দীনহীন।।
নাহি কি হেথা পাপ মোহ বিপদরাশি।
তোমা বিনা একেলা নাহি ভরসা।।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 12
দুখ দূর করিলে, দরশন দিয়ে মোহিলে প্রাণ।।
সপ্ত লোক ভুলে শোক তোমারে চাহিয়ে-
কোথায় আছি আমি দীন অতি দীন।।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 13
দাও হে হৃদয় ভরে দাও।
তরঙ্গ উঠে উথলিয়া সুধাসাগরে,
সুধারসে মাতোয়ারা করে দাও।।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 14
দুয়ারে বসে আছি, প্রভু, সারা বেলা- নয়নে বহে অশ্রুবারি।
সংসারে কী আছে হে, হৃদয় না পূরে-
প্রাণের বাসনা প্রাণে লয়ে ফিরেছি হেথা দ্বারে দ্বারে।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 15
ডেকেছেন প্রিয়তম, কে রহিবে ঘরে।
ডাকিতে এসেছি তাই, চলো ত্বরা ক’রে।।
তাপিতহৃদয় যারা মুছিবি নয়নধারা,
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 10
চলেছে তরণী প্রসাদপবনে, কে যাবে এসো হে শান্তিভবনে।
এ ভবসংসারে ঘিরেছে আঁধারে, কেন রে ব’সে হেথা ম্লানমুখ।
প্রাণের বাসনা হেথায়, পূরে না, হেথায় কোথা প্রেম কোথা সুখ।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 11
পিতার দুয়ারে দাঁড়াইয়া সবে ভুলে যাও অভিমান।
এসো, ভাই, এসো প্রাণে প্রাণে আজি রেখো না রে ব্যবধান।।
সংসারের ধুলা ধুয়ে ফেলে এসো, মুখে লয়ে এসো হাসি।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 15
তোমায় যতনে রাখিব হে, রাখিব কাছে-
প্রেমকুসুমের মধুসৌরভে, নাথ, তোমারে ভুলাব হে।
তোমার প্রেমে, সখা, সাজিব সুন্দর-
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 12
আইল আজি প্রাণসখা, দেখো রে নিখিলজন।
আসন বিছাইল নিশীথিনী গগনতলে,
গ্রহ তারা সভা ঘেরিয়ে দাঁড়াইল।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 13
দুখের কথা তোমায় বলিব না, দুখ ভুলেছি ও করপরশে।
যা-কিছু দিয়েছ তাই পেয়ে, নাথ, সুখে আছি, আছি হরষে।।
আনন্দ-আলয় এ মধুর ভব, হেথা আমি আছি এ কী স্নেহ তব-
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 12
তাঁহার আনন্দধারা জগতে যেতেছে বয়ে,
এসো সবে নরনারী আপন হৃদয় ল’য়ে।।
সে আনন্দে উপবন বিকশিত অনুক্ষণ,
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 12
হরি, তোমায় ডাকি, সংসারে একাকী
আঁধার অরণ্যে ধাই হে।
গহন তিমিরে নয়নের নীরে,
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 12
আমায় ছ জনায় মিলে পথ দেখায় ব’লে পদে পদে পথ ভুলি হে।
নানা কথার ছলে নানান মুনি বলে, সংশয়ে তাই দুলি হে।।
তোমার কাছে যাব এই ছিল সাধ,
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 14
ঘোরা রজনী, এ মোহঘনঘটা-
কোথা গৃহ হায়। পথে ব’সে।।
সারাদিন করি’ খেলা, খেলা যে ফুরাইল- গৃহ চাহিয়া প্রাণ কাঁদে।।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 13
সুমধুর শুনি আজি, প্রভু, তোমার নাম।
প্রেমসুধাপানে প্রাণ বিহ্বলপ্রায়,
রসনা অলস অবশ অনুরাগে।।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 10
মিটিল সব ক্ষুধা, তাঁহার প্রেমসুধা, চলো রে ঘরে লয়ে যাই।
সেথা যে কত লোক পেয়েছে কত শোক, তৃষিত আছে কত ভাই।।
ডাকো রে তাঁর নামে সবারে নিজধামে, সকলে তাঁর গুণ গাই।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ রবীন্দ্র সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 16
তারো তারো, হরি, দীনজনে।
ডাকো তোমার পথে, করুণাময়, পূজনসাধনহীন জনে।।
অকুল সাগরে না হেরি ত্রাণ, পাপে তাপে জীর্ণ এ প্রাণ-
উপ ক্যাটেগরি সমূহ
লালন গীতি নিবন্ধ গণনা: 992
লালন গীতি বাংলা লোকসংগীতের এক অনন্য ধারা, যেখানে সুফি সাধক লালন ফকিরের জীবন, দর্শন ও মানবতার বার্তা সুরের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই ক্যাটাগরিতে আপনি পাবেন লালন গানের মন্ত্রমুগ্ধকর সুর ও রাগ, যার প্রতিটি শব্দে প্রেম, মুক্তি এবং আত্মার গভীর অনুভূতি প্রতিফলিত হয়। শুধুমাত্র গানের মাধ্যমে বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই সুফি সংগীতের সৌন্দর্য ও মহত্বের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন এখানে। লালন গীতির প্রতিটি গান হৃদয়কে ছুঁয়ে যায় এবং মনকে শান্তি দেয়।
রবীন্দ্র সঙ্গীত নিবন্ধ গণনা: 806
রবীন্দ্র সঙ্গীত বাংলা সংগীতের এক অনন্য এবং হৃদয়স্পন্দন ধারা, যা মহাকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত সুর ও কথায় জীবন, প্রকৃতি, প্রেম এবং মানুষের গভীর অনুভূতির ছোঁয়া মিশে থাকে। এই ক্যাটাগরিতে আপনি পাবেন রবীন্দ্র সঙ্গীতের শ্রেষ্ঠ গান, যেগুলো বাংলা সংস্কৃতির অমূল্য ধন এবং বিভিন্ন সময়ের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটের সাথে আবদ্ধ। প্রতিটি গান শুধুমাত্র সুর নয়, বরং জীবনের নানা দিক নিয়ে ভাবনার সেতুবন্ধন, যা শ্রোতার মনকে স্পর্শ করে। এখানে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীতকর্মের বিস্তৃত সংগ্রহ আপনাকে বাংলার সংগীত ঐতিহ্যের গভীরে নিয়ে যাবে।
বাউল সঙ্গীত নিবন্ধ গণনা: 1664
বাউল সঙ্গীত বাংলার লোকসংগীতের এক অমূল্য ধারা, যেখানে সুরের মাধ্যমে আত্মার মুক্তি, প্রেম, মানবতা এবং জীবন দর্শনের গভীর বার্তা তুলে ধরা হয়। এই সঙ্গীত ধারায় বাউলরা তাদের আধ্যাত্মিক সাধনা, সমাজবিচ্ছিন্নতা এবং মানবতার প্রতি গভীর ভালোবাসাকে গানের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। বাউল সঙ্গীতের প্রতিটি সুর শ্রোতাদের মনের গভীরে প্রবেশ করে, মনকে প্রশান্তি দেয় এবং জীবনের নানা প্রশ্নের দিকে চিন্তাভাবনার পথ দেখায়। এই ক্যাটাগরিতে বাউল সঙ্গীতের বিশাল সংগ্রহ, জনপ্রিয় গান ও বিখ্যাত শিল্পীদের কীর্তি তুলে ধরা হয়েছে, যা বাংলার ঐতিহ্যবাহী সংগীতের এক অনন্য অধ্যায়।
আঞ্চলিক সঙ্গীত নিবন্ধ গণনা: 1
কুষ্টিয়ার আঞ্চলিক সঙ্গীত বলতে লালন সঙ্গীত কেই বোঝায়। এছাড়াও আমাদের অঞ্চলে যে গানগুলো বাঁধা হয় তাঁকেই আমাদের আঞ্চলিক সঙ্গীত বলে আখ্যায়িত।
পাঞ্জু সঙ্গীত নিবন্ধ গণনা: 6
মরমী সাহিত্য ধারায় লালন শাহ্ অত্যন্ত জনপ্রিয়। লালন পরবর্তী মরমী কবিগণের মধ্যে পাঞ্জু শাহের নাম বিশেষ উল্লেখযোগ্য। লালন শাহের আশিবানী ও স্বীকৃতি পাঞ্জুকে মরমী সাধক সমাজে পরিচিত করে তোলে এবং দীর্ঘদিন এ দেশের সাধক মণ্ডলীর পরিচালক রূপে নিয়োজিত রাখে। এ সম্পর্কে খোন্দকার রফি উদ্দিনের মন্তব্য বিশেষ মূল্যবান। তিনি বলেন- “বাংলার সূফী ফকিরদের মধ্যে লালনের স্থান সর্বচ্চো। কিন্তু লালনের তিরোধানের পর যিনি সারা বাংলার ফকির মহলে লালনের শূন্যস্থান পূরণ করে রেখেছিলেন।” অসাধারণ প্রতিভা-ধর লালন শাহের তিরোভাব-জনিত শূন্যতা পূরণের ক্ষমতা নিয়ে জন্মেছিলেন পাঞ্জু শাহ্।
এ কথাটি চিন্তা করলে পাঞ্জু প্রতিভা সম্পর্কে আর দ্বিধাদ্বন্দ্বের অবকাশ থাকে না। বস্তুত পাঞ্জু শাহ্ যথার্থ পূর্বসুরির মর্যাদা উপলব্ধি করেছিলেন। সেজন্যে তিনিও লালনের ভাবশিষ্য হয়েই কাব্য চর্চার আত্ননিয়োগ করেন। ফলে সমকালীন বাংলাদেশে পাঞ্জুর কবি-খ্যাতি ও মরমী ভাব সাধনা বিশেষ প্রভাব বিস্তার করে। তাই দেখা যায়, “লালন শাহের অত্যন্ত বয়ঃকনিষ্ঠ সমসাময়িক” এই সাধক একটি স্বতন্ত্র ঘরানা ও বিশেষ “কাব্য-সঙ্গীত” গোষ্ঠীর উদ্যেক্তা হিসেবে উনিশ শতকের শেষাধে ও বিশ শতকের প্রথমার্ধে এদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনে একটি ব্যতিক্রমধর্মী ক্ষেত্রে বিরাজমান। এসব দিক বিবেচনা করলে পাঞ্জুর জীবনেতিহাস বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
কবি পাঞ্জু শাহ্ ১২৫৮ বঙ্গাব্দের (১৮৫১ খ্রী) ২৮শে শ্রাবণ ঝিনাইদাহ জেলার শৈলকূপা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। ঐ সময় কবির পিতা খাদেমালী খোন্দকার এবং কবি মাতা জোহরা বেগম শৈলকূপাতেই তাঁদের নিজস্ব জমিদার ভবনে বাস করতেন।
দেশাত্ববোধক সঙ্গীত নিবন্ধ গণনা: 3
দেশের জন্য যে গান গাওয়া হয়, তাকে মুলত দেশাত্ববোধক গান বলা হয়। বাংলাদেশের অনেক শিল্পী গানের মাধ্যমে দেশকে বিশ্বের দরবারে আলোকিত করেছেন। অনেক শিল্পী দেশের জন্য বিভিন্ন আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন। অনেক শিল্পী তাঁর পরিবার নীড় হারা হয়েছেন। দেশকে ভালোবেসে যারা আন্দোলন করেছেন এবং করছেন তাঁদের প্রতি কুষ্টিয়াশহর.কম এর পক্ষ হতে গভীর শ্রদ্ধা।
নজরুল সঙ্গীত নিবন্ধ গণনা: 860
নজরুলগীতি বা নজরুল সঙ্গীত বাংলাভাষার অন্যতম প্রধান কবি ও সংগীতজ্ঞ কাজী নজরুল ইসলাম লিখিত গান। তাঁর সীমিত কর্মজীবনে তিনি ৪,০০০-এরও বেশি গান রচনা করেছেন। পৃথিবীর কোনো ভাষায় একক হাতে এত বেশি সংখ্যক গান রচনার উদাহরণ নেই। এসকল গানের বড় একটি অংশ তাঁরই সুরারোপিত। তাঁর রচিত চল্ চল্ চল্, ঊর্ধগগনে বাজে মাদল বাংলাদেশের রণসংগীত। তাঁর কিছু গান জীবদ্দশায় গ্রন্থাকারে সংকলিত হয়েছিল যার মধ্যে রয়েছে গানের মালা, গুল বাগিচা, গীতি শতদল, বুলবুল ইত্যাদি। পরবর্তীকালে আরো গান সংগ্রন্থিত হয়েছে। তবে তিনি প্রায়শ তাৎক্ষণিকভাবে লিখতেন; একারণে অনুমান করা হয় প্রয়োজনীয় সংরক্ষণের অভাবে বহু গান হারিয়ে গেছে।
মামুন নদীয়া নিবন্ধ গণনা: 20
মামুন নদীয়া (ইংরেজিঃ- Mamun Noida জন্মঃ- ১৮ই ফেব্রুয়ারী ১৯৬৪ - মৃত্যু: ৩১শে মে ২০০৭) তিনি ছিলেন বাংলারই এক নিভৃতচারী বাউল। সর্বদা ধবল রঙের গেরুয়া পরতেন। চশমাপরিহিত মুখটি ছিল শ্যামল নিষ্পাপ । কথাবার্তার ভঙ্গিটি অত্যন্ত বিনীত। বাউল সম্রাট লালনের তীর্থ ভুমি কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুরে দরবেশ রেজন শাঁহ’য়ের মাজারে গুরু রেজন শাঁহ’র অন্যতম অনুসারী কন্ঠ শিল্পী মামুন নদীয়া।
বাংলা
English