বাউল গান
বাউল গান বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রাণবন্ত লোকসংগীতের ধারায় এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। এই গানে আত্মার মুক্তি, প্রেমের কথা, জীবন দর্শন ও মানবতাকে সুন্দর এক সুরে মিলিয়ে আনা হয়। বাউল শিল্পীরা নিজেদের জীবনের সাধনা ও বিশ্বাসকে সুরের মাধ্যমে প্রকাশ করেন, যা মানুষের মনের গভীরে ছুঁয়ে যায়। এই ক্যাটাগরিতে আপনি বাউল গানের ইতিহাস, বিখ্যাত বাউল শিল্পী, গানের কথ্য অর্থ, জীবন দর্শনের নানা দিক এবং বাউল সঙ্গীতের অনন্য সৌন্দর্যের বিস্তারিত বর্ণনা পাবেন। বাউল গানের মাধুর্য ও তার জীবনের গভীরতা আপনাকে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ করে তুলবে।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ নজরুল সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 68
সাহারাতে ডেকেছে আজ বান, দেখে যা।
মরুভুমি হল গুলিস্তান, দেখে যা।।
সেই বানেরই ছোঁওয়ায় আবার আবাদ হল দুনিয়া,
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ নজরুল সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 66
উম্মত আমি গুনাহ্গার
তবু ভয় নাহি রে আমার।
আহ্মদ আমার নবী
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ নজরুল সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 75
ফিরি পথে পথে মজনুঁ দিওয়ানা হয়ে।
বুকে মোর এয়্ খোদা তোমারি এশ্ক্ লয়ে।।
তোমার নামের তসবীহ লয়ে ফিরি গলে,
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ নজরুল সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 61
ভুবন-জয়ী তোরা কি হায়, সেই মুসলমান।
খোদার রাহে আনল যারা দুনিয়া না-ফরমান।।
এশিয়া য়ুরোপ আফ্রিকাতে যাহাদের তকবীর
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ নজরুল সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 80
বাজিছে দামামা, বাঁধ রে আমামা
শির উঁচু করি মুসলমান।
দাওত এসেছে নয়া জমানার
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ নজরুল সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 75
খোদার হবিব হলেন নাজেল
খোদার ঘর ওই কাবার পাশে।
ঝুঁকে পড়ে আর্শ কুর্শী,
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ নজরুল সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 57
মরহাবা সৈয়দে মক্কি মদনি আল-আরবী।
বাদশারও বাদশাহ নবিদের রাজা নবী।।
ছিলে মিশে আহাদে, আসিলে আহমদ হয়ে,
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ নজরুল সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 66
মোহাম্মদ মুস্তাফা সাল্লেআলা,
তুমি বাদশারও বাদশাহ কমলিওয়ালা।।
পাপে-তাপে পূর্ণ আঁধার দুনিয়া
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ নজরুল সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 64
তোমারি প্রকাশ মহান এ নিখিল দুনিয়া জাহান।
তোমারি জ্যোতিতে রওশন নিশিদিন জমিন ও আশমান।।
নিভিল কোটি তপন চাঁদ খুঁজিয়া তোমারে প্রভু,
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ নজরুল সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 99
গুল-বাগিচায় নৌ-বাহারের মরসুম। যৌবনের এই গুল-বাগিচার বুলবুলি, গোলাপ, চম্পা, চামেলি, ভ্রমর, প্রজাপতি, নহর, লতাকুঞ্জ, শারাব, সাকিচির- তাজা। এখানে চির-বসন্ত বিরাজিত। সাকির হাতে শিরাজির পেয়ালা, কবির বুকে দিল্রুবা, রবাব বেণু, আর গজল-গানের দীওয়ান। এই গুলিস্তানের কবি চির-তরুণ, চির-কিশোর। কবির অঙ্গে হেলান দিয়ে লীলায়িত-দেহা কবির মানসী প্রিয়া। ফিরোজা রং-এর ওড়না, গোধূলি-রঙের পেশোয়াজ-পরা সুর্মামাখা ডাগর চোখে তার বিকশিত প্রেমের নিলাজ আকুতি। এই শীর্ণা তন্বী কবি-প্রিয়ার হাতে মৌন বীণা, অধরে অভিমান, পায়ের কাছে পড়ে গোলাপকুঁড়ির গুচ্ছ। চঞ্চল কবিকে তার বিশ্বাস নেই, কোনো প্রেমের বন্ধনে যেন এই চঞ্চলকে বাঁধা যায় না। এই আনন্দ-বিলাসী প্রজাপতিটাকে সে তার কিঙ্খারের বক্ষ-আস্তরণে দিবানিশি লুকিয়ে রাখতে চায়,- প্রতি মুহূর্তেই হারাই-হারাই ভয়ে তার প্রেম চকিত, বেদনা-বিহ্বল। আকাশে চাঁদ-পৃথিবীর বুলবুলিস্তানে কবি-কাউকেই ধরা যায় না।
কবি ভাবেন-যৌবন আর ফুল সকালে ফুটে সন্ধ্যায় যায় ঝরে। ফুলের মালাকে মিলন-রাতের শেষে স্রোতে ফেলে দিতে হয়। -এই তার নিয়তি।
প্রতি মুহুর্তের আনন্দকে স্বীকার করে নিতে হয় তার উদ্ভবের শুভ মুহুর্তে। এ লগ্ন বয়ে গেলে-আর তা ফিরে আসে না। তাই সে হাতের ফুলকে কখন অভিনন্দিত করে, তখন না-ফোটা গোলাপের জন্য সে কাঁদে। যে ফুল ঝরে গেল, সেই মৃত ফুলের শবকে ধরে সে অতীতের শ্মশানে কঁদে না।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ নজরুল সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 110
কবির কাব্যলক্ষ্মী আনমনে কপোলে ঝুম্কো-চাপার পরশ বুলাতে বুলাতে গোলাপ-লতার বুলবুলির পানে চেয়ে থাকে। বাহিরে-পাওয়ার ব্যর্থতা তার মনে তোলে অশান্তির ঝড়। তাই সে তার সুন্দরের বিগ্রহ অন্তর-দেউলে প্রতিষ্ঠিত করে আনন্দ পেতে চায়। বাহিরের সুন্দর ঘুরে বেড়ায় বাহির-ভুবনে; অন্তরের সুন্দরের চরণ নেই-নিশ্চরণ চারণকে বাঁধবার এই বোধ হয় সহজতম উপায়। তাই সে তার সুন্দরের অনুনয়ের বিনিময়ে গেয়ে ওঠে-
মন দিয়ে যে দেখি তোমায়
তাই দেখিনে নয়ন দিয়ে।
- বিস্তারিত
- লিখেছেনঃ সালেক উদ্দিন শেখ
- ক্যাটাগরিঃ নজরুল সঙ্গীত
- পঠিত হয়েছেঃ 76
কবি আর তাঁর মানসী দ্রাক্ষা-কুঞ্জে চোখে চোখে কথা কয়; সুরে সুরে মনের ভাবের মালা গাঁথে-এ ওর গলায় দেয়; আর সাকি পরিবেশন করে তাদের আনন্দের শিরাজি। তার আপন হৃদয়-পেয়ালা থাকে শুন্য, তাকে মুখ-ভরা হাসি নিয়ে তাদের বাসি হৃদয়কে সঞ্জীবনী-সুধা দিয়ে জীবন্ত করতে হয়। ও যেন ব্রজের ললিতা। রাধা-কৃষ্ণের মিলন ঘটিয়ে তিনি তাঁর উপবাসী মনের প্রসাদ পান। তাই সাকির তৃষিত-আত্মা যে-গান গেয়ে ওঠে, তারই ভাষা ফুটে ওঠে কবির রবাবে।
(যবে) আঁখিতে আঁখিতে ওরা কহে কথা
দু’টি বনের পাখি।
বাংলা
English