“✨ ১২ বছরের গল্প, ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সঙ্গে কুষ্টিয়াশহর.কম”

Select your language

বাংলার মরমি মনীষী
বাংলার মরমি মনীষী

বাঙালি সমাজের সঙ্গে বাউলের পরিচয় ও যোগ অনেককালের। বেশ কয়েক শতক ধরে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের ভেতর দিয়ে বাউল তার বিকাশের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছায় মূলত ফকির লালন সাঁইয়ের কল্যাণে। লালনই বাউল সম্প্রদায়ের শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি—কি গানে, কি সাধনায়, কি তত্ত্বজ্ঞানে। এই লোকমনীষী আজ আর বাংলাদেশ বা বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলের গণ্ডিতে আবদ্ধ নন, তাঁর আসন আজ বিশ্বলোকে।

সাধনার অনুষঙ্গে ‘গানের ভিতর দিয়ে’ লালন দেখেছিলেন মরমি ‘ভুবনখানি’। অধরা মনের মানুষের সন্ধানে লালনের পরিক্রমণ ‘গভীর নির্জন পথে’, কাল থেকে কালান্তরে। তাঁর দুই চোখে এসে লাগে অন্য আলোর ছটা—বিভক্ত হয়ে যান লালন—একদিকে সাঁই নিরঞ্জনের সন্ধানে শুরু হয় নিরন্তর যাত্রা, পাশাপাশি পথের কাঁটা সামাজিক বাধাকে পেরিয়ে যাওয়ার জবর লড়াই। এভাবে লালন হয়ে ওঠেন একই সঙ্গে মরমি ও দ্রোহী—সমাজশিক্ষক ও সংস্কারক—অধ্যাত্মসাধনার পরম গুরু ও মানবমুক্তির দিশারি এবং লোকায়ত বাঙালির বিবেক।

লালন জন্মেছিলেন ২৪২ বছর আগে সংস্কারশাসিত বাংলার এক অখ্যাত পল্লিতে। ১১৬ বছরের দীর্ঘ আয়ু পেয়েছিলেন তিনি। তাঁর এই দীর্ঘ জীবন বিচিত্র অভিজ্ঞতায় পূর্ণ। জাতপাত, সম্প্রদায়-বিদ্বেষ, শাস্ত্রধর্মের প্রতাপ, শ্রেণিপীড়ন, সামাজিক অনাচার, নারীনিগ্রহ, মনুষ্যত্বের অবমাননা, মানবতার লাঞ্ছনা, শক্তির অর্চনা, যুক্তিহীন আচরণ, সামন্তশোষণ-মানুষের জীবনকে বিষাদ-নৈরাশ্যে ডুবিয়ে রেখেছিল। উত্তরকালেও এই পরিস্থিতি পাল্টায়নি। হয়তো কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর রূপ বদলেছে, কিন্তু সমাজদেহ থেকে এর ছাপ পুরোপুরি মুছে যায়নি।

লালনের জীবন দুই ধারায় বয়ে গেছে—একদিকে মরমিসাধনার নম্র ধারা, অন্যদিকে দ্রোহের আগুন জ্বেলে সমাজের অনাচার-আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলার প্রয়াস। অথচ যে সাধনার ভুবনে তিনি প্রবেশ করেছিলেন, সেখানে তো বাইরের জগতের ঘটনায় আলোড়িত হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু বাউলকে প্রতিবাদী ও দ্রোহী হতে হয় কেন? আসলে বাউলের জন্মই তো প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে—ক্ষমতাশালী বিত্তবান ও শাস্ত্রবাহকের বিপক্ষে এ ছিল নীরব ‘গরিব-গণবিদ্রোহ’। মরমিসাধনায় যাঁরা শামিল হয়েছিলেন সমাজের অবজ্ঞা ও নিগ্রহ থেকে আত্মরক্ষার জন্য, প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মকে তাঁরা অস্বীকার ও প্রত্যাখ্যানের গরজ বোধ করেছিলেন অন্তরে। বাউলের তাই কোনো শাস্ত্র নেই—গুরুর আদেশ-নিষেধই গান হয়ে তাঁদের দিশা দেয়—পথ দেখায়। লালনের জীবন ও সাধনাও চলেছে এই ধারায়।

বারবার আঘাত এসেছে বাউলসম্প্রদায় ও লালনের ওপর। লালন সম্পর্কে যে অবজ্ঞা-নিন্দা-বিদ্বেষ তা তো বিকারগ্রস্ত সমাজমনের প্রতিক্রিয়ার ফল। এর কারণ লালন সারা জীবন মুক্তচিন্তায় বিশ্বাসী ছিলেন, মানবতাবাদী দর্শনকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন, ঘুণে-ধরা সমাজটাকে বদলাতে চেয়েছিলেন, জাতধর্মকে দূরে সরিয়ে মানুষকে মানবিকবোধে বিকশিত করার ব্রত নিয়েছিলেন। সামান্য মরমি ফকিরের এসব উল্টোধারার কর্মকাণ্ড বরদাশত করবেন কেন সমাজের উচ্চবর্ণের মানুষ! কেননা ধর্মের অছিলায়—শাস্ত্রের নামে—অর্থের জোরে—শক্তির দম্ভে সমাজ-ঘরের সব জানালা তাঁরা বন্ধ করে চিরস্থায়ী এক আঁধারের রাজ্য তৈরি করতে চেয়েছিলেন। লালন তাতে বাদ সেধেছিলেন বলেই এসব মানুষের দুশমন হয়েছিলেন। ফলে পাষণ্ড, ব্রাত্য, ন্যাড়া, বেশরা, জারজ—এসব গালমন্দ তাঁকে শুনতে, সইতে হয়। তবে আরোপিত কলঙ্ক আর নিন্দা সমকালেই—উত্তরকালে তো বটেই—বিবেকবান মানুষের সুবিবেচনার কল্যাণে লালনের গৌরবচিহ্ন হয়ে উঠেছিল।

তিনি না ছিলেন হিন্দু—না মুসলমান, তার বদলে প্রাণপণে ‘মানুষ’ হতে চেয়েছেন।

মরমিসাধক হিসেবে লালনের তো শুধুই রচনা করার কথা দেহসাধনার গান, জটিল বাউলতত্ত্বের পদাবলি। কিন্তু অভিজ্ঞতা আর পর্যবেক্ষণে তিনি জেনেছিলেন সমাজের আঁধার না ঘুচলে সাধনার আলো ফুটবে না। সাধন-ঘরানার বাইরে গিয়ে তাই তাঁকে লিখতে হলো সমাজকে জাগানোর গান, মানুষকে আলোকিত করার গান। সমাজের নানা অনাচার, কুরীতি ও অসংগতি ধরা পড়েছে লালনের চোখে। তিনি জেনেছিলেন, ‘কলিতে অমানুষের জোর/ভালো মানুষ বানায় তারা চোর’। নীতি-নৈতিকতা হয়ে ওঠে কথার কথা, ‘তলে তলে তলগোঁজা খায়/লোকের কাছে সতী কবলায়/এমন সৎ অনেক পাওয়া যায়/সদর যে হয় সেই পাতকী’।

মধ্যযুগের সহজিয়া কবি রূপকের ছলে উচ্চারণ করেছিলেন, ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’। মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণার জন্য লালন সেই রূপকের আড়াল তুলে দিয়ে সরাসরি বললেন, ‘অনন্তরূপ সৃষ্টি করলেন সাঁই/ শুনি মানবের উত্তম কিছুই নাই/ দেব-দেবতাগণ করে আরাধন/ জন্ম নিতে মানবে’। পুনর্জন্মে বিশ্বাস ছিল না লালনের। তাই একবারের জন্য নশ্বর এই পৃথিবীতে আসার সুযোগকে সুকৃতিতে সার্থক করে তোলার পক্ষে তাঁর ছিল একান্ত আকুতি, ‘কত ভাগ্যের ফলে না জানি/ মন রে পেয়েছ এই মানবতরণী/ বেয়ে যাও ত্বরায় সুধারায়/ যেন ভারা না ডোবে’। ‘জগৎ মিথ্যা ব্রহ্ম সত্য’—এই বক্তব্যে সায় ছিল না লালনের। তাই ইহজাগতিকতার হাতছানিতে লালন সাড়া না দিয়ে পারেননি, ‘এমন মানব-জনম আর কি হবে/ মন যা করো ত্বরায় করো এই ভবে’। পরলোকে স্বর্গপ্রাপ্তির চাইতে দুনিয়ার ‘নগদ পাওনা’র প্রতিই তাঁর বেশি ঝোঁক ছিল। মানুষই ছিল লালনের চেতনার কেন্দ্রে। তাই মানবজীবন, মানবগুরু, মানবভজনার কথা বারবার উঠে এসেছে তাঁর গানে। ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’, ‘ভবে মানবগুরু নিষ্ঠা যার/ সর্বসাধন সিদ্ধ হয় তার’, ‘আছে যার মনের মানুষ মনে তোলা সে কি জপে মালা’, ‘সেই মানুষে আছে রে মন যারে বলে মানুষ-রতন’, ‘মানুষতত্ত্ব যার সত্য হয় মনে/ সে কি অন্য তত্ত্ব মানে’—লালনের এসব পদ সাধনার প্রয়োজনে বাঁধা হলেও তা মূলত মানববন্দনারই গান। ‘মানুষ অবিশ্বাসে হয় না রে মানুষনিধি’—সুভাষণের মতো এই পঙ্ক্তিটি মানুষের প্রতি তাঁর গভীর আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক।

বাউলের আবার জাত কী-ধর্ম কী? এসব ধুয়ে-মুছে ফেলেই তো সে ঘর-সংসার ছেড়ে ‘মনের মানুষ’কে খুঁজে ফেরার জন্য ‘সাধবাজারে’ এসে ঠাঁই নিয়েছে। লালনও তো জাত-ধর্ম-শাস্ত্র কিছুই মানেননি—গোত্রবর্ণের বালাই নেই তাঁর কাছে। নারী ও পুরুষ—এই হলো মানুষের জাত। যৌবনের প্রথম প্রহরেই জাত-ধর্মের সুতো কেটে ঘর ছাড়তে হয়েছিল। তারপর তো ভাসতে ভাসতে খুঁজে পেলেন তাঁর ‘জীবনেরও জীবন সাঁই’ গুরুকে—দীক্ষা নিলেন সিরাজ সাঁইয়ের কাছে—বাউল হলেন—ধর্ম আর জাতের দাবিদাওয়া রইল না। কিন্তু তাঁর না থাকলেও, কাছে-কোলের মানুষ যারা তারা তো মানুষের পরিচয় খুঁজে ফেরে জাত-ধর্মের আলোকেই—মানুষটি হিন্দু না মুসলমান? এরা লালনকে জেরবার করে তুলল তাঁর জাত-পরিচয় জানার জন্য। লালন এড়িয়েও পার পান না, জবাব দিতেই হলো, ‘সব লোকে কয় লালন ফকির হিন্দু কি যবন/ লালন বলে আমার আমি না জানি সন্ধান’। লালন তাঁর দ্রোহের আগুনে এসব জাতপাতকে পুড়িয়ে ছাই করতে চেয়েছেন, ‘লালন কয় জাত হাতে পেলে/ পুড়াতাম আগুন দিয়ে’। মধ্যযুগের ভারতের সন্ত-সাধকেরাও তুচ্ছ করেছেন জাতধর্মকে—কি কবির, রামদাস, নানক, কি পল্টু, রজ্জব, তুলসিদাস, কি দাদু—সবার মুখেই ওই একই কথা। লালন কী করে পেয়েছিলেন ‘পিঁড়েয় বসে পেঁড়োর খবর’? নাকি সব মরমির মন ও ভাব একই ছাঁচে ঢালা! এখানে স্থান-কাল সব হারিয়ে যায়—এক অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা থাকে শুধু মানবপ্রেমী সাধকের মরমি মন।

প্রকৃতি ও পুরুষের যুগল মিলনেই সাধনার রসধারা বহমান। সেই প্রকৃতি বা নারীর জীবন কেমন ছিল লালনের কালে? নারীকে কী চোখে দেখেছিলেন লালন?—এসব কৌতূহল-জাগানো প্রশ্নের জবাবে এক নতুন লালনকে খুঁজে পাওয়া যায়। নারীই সৃষ্টির আধার। ধাঁধার আবরণ দিয়ে লালন তাই বলেছেন, ‘সাগরে ভাসে জগৎমাতা/ লালন বলে মা’র উদরে পিতা জন্মে’। সমাজ-সংসার-ধর্মের চাপে ‘অবলা’ হয়ে থাকা কুলনারীও যে পুরুষের অহংকার-আধিপত্য খর্ব করতে পারে, প্রেমপ্রত্যাশী পুরুষকেও যে কখনো কখনো নারীর কাছে নতজানু হতে হয়, কৃষ্ণের তুলনা দিয়ে সেই কথাটিই বলেছেন লালন, ‘কোন প্রেমে বল গোপীর দ্বারে/ কোন প্রেমে শ্যাম রাধার পায়ে ধরে...’। নারীর মহিমা ও শ্রেষ্ঠত্বের পরিচয় মেলে লালনের এই গানে, ‘মায়েরে ভজিলে হয় সে বাপের ঠিকানা/ নিগম বিচারে সত্য গেল তাই জানা’। এই বাণী পুরুষতন্ত্রের প্রাধান্যকে চূর্ণ করেছে।

পাপ-পুণ্য, স্বর্গ-নরক এসব বিষয়কেও লালন মোটেই আমলে নেননি। পাপ-পুণ্যের ধারণাকে তিনি ‘দেশাচার’ বলে গণ্য করেছেন, ‘পাপ-পুণ্যের কথা আমি কারে বা শুধাই/ এই দেশে যা পাপ গণ্য অন্য দেশে পুণ্য তাই’। তিনি যে ‘দেশাচারের দাস’ নন, লালনের মনে এই ভাবটিই তো জেগেছিল। মুসলমানের ‘ভেস্ত’ (বেহেশত) বা হিন্দুর ‘স্বর্গ’—লালন কোথাও যেতে চাননি, এ দুই-ই তাঁর কাছে ‘ফাটক সমান’।—তাই এর বাসিন্দে হতে ‘কার বা তা ভালো লাগে’!

লালন জাত মানেননি, শাস্ত্র মানেননি, প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মে আস্থা রাখেননি, কোনো সাম্প্রদায়িক পরিচয়েও মতি ছিল না। নির্বিচার অন্ধবিশ্বাসকে খারিজ করে সেখানে যুক্তিকে বসিয়েছেন। তাই সহজেই বলতে পারেন, ‘বেদে কি তার মর্ম জানে’ কিংবা ‘বৈদিক মেঘে ঘোর অন্ধকার/ উদয় হয় না দিনমণি’। আচার ও সংস্কার ধর্মকে আচ্ছন্ন করে রাখলে তার কী দশা হয় সে সম্পর্কে মশকরা করে লালন বলেছেন, ‘ভজা উচিত তবে ছড়ার হাঁড়ি/ যাতে শুদ্ধ করে ঠাকুরবাড়ি’। ধর্মের ভড়ংকে ব্যঙ্গ করে আবার গান বেঁধেছেন, ‘বেশ করে বোষ্টমগিরি/ রস নাই তার ফষ্টি ভারি/ হরি নামের ঢু ঢু তারি/ তিনগাছি তার জপের মালা’। লালন প্রশ্ন করেছেন, ‘গোপনে যে বেশ্যার ভাত খায়/ তাতে ধর্মের কী ক্ষতি হয়’—কে দেবে এর জবাব? প্রাতিষ্ঠানিক সব ধর্ম ও শাস্ত্র সম্পর্কেই তিনি ছিলেন উদাসীন ও সংশয়ী। মুসলমান ‘জল’ খায় না, হিন্দু ‘পানি’ পান করে না। কিন্তু লালন বিভেদপন্থী অনিচ্ছুক হিন্দু-মুসলমানকে এক ঘাটের ‘পানি’ ও ‘জল’ খাইয়ে ছেড়েছেন—তাঁর গানে সমার্থক এই দুটি শব্দই সাদরে সমান মর্যাদায় গ্রহণ করে। জাতধর্মের প্রশ্রয়ে লালিত ভাষা-সাম্প্রদায়িকতার গোড়াও এভাবেই কেটে দিয়েছেন তিনি। তাঁর গান এই বার্তাই পৌঁছে দেয়, তিনি না ছিলেন হিন্দু—না মুসলমান, তার বদলে প্রাণপণে ‘মানুষ’ হতে চেয়েছেন।

লালন ছিলেন কালের অগ্রগামী পুরুষ। কিন্তু কাল বিরোধী ছিল। সমাজ-মন তৈরি ছিল না তাঁর কথা শোনা বা তার তাৎপর্য বোঝার জন্য। তাই তাঁকে অনেক আঘাত সইতে হয়েছে। মনের মধ্যে কখনো বেদনা, কখনো হতাশা জেগেছে, তাই হাহাকার আর দীর্ঘশ্বাস মিশিয়ে গান রচনা করেছেন, ‘এ দেশেতে এই সুখ হলো আবার কোথা যাই না জানি/ পেয়েছি এক ভাঙা নৌকা জনম গেল ছেঁচতে পানি’। কিন্তু মানবগুরু লালন তো পরাভব মানতে পারেন না, হতাশার কাছে আত্মসমর্পণ তো তাঁর ধর্ম হতে পারে না! যাঁর তরঙ্গমুখর নদী হওয়ার বাসনা ছিল—দুকূল ভাসানো স্রোতস্বিনী হওয়ার কথা ছিল, তিনি কিনা হয়ে রইলেন ‘আন্ধেলা পুকুরে’র বদ্ধ ‘কূপজল’! কিন্তু লালন তো মানুষকে দিশা দিতে চান, তাই সুসময়ের জন্য আশা জাগিয়ে রাখেন, ‘কবে হবে সজল বরষা, রেখেছি মন সেই ভরসা’। একদিন বর্ষা নামবে, নব-জলধারায় সিক্ত হবে এই রুক্ষ মাটি, সবুজে ভরে যাবে ফসলের মাঠ—সত্য হয়ে উঠবে মানবজমিন আবাদের মরমি কৃষক লালনের স্বপ্ন।

আবুল আহসান চৌধুরী: লালন–গবেষক; অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

Add comment
Posting any form of obscene comment is prohibited; doing so will result in legal action.

ইতিহাস এর অন্যান্য প্রবন্ধ

There Is No 'Lalonism', It Is All Gurubad: Writer Farhad Mazhar

There Is No 'Lalonism', It Is All Gurubad: Writer Farhad Mazhar

  • Sub Title: Festive day two of Lalon's 136th Tirodhan at Cheuria — Balya Seba, Purna Seba and the evening discussion

সর্বশেষ পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

তথ্য সম্পর্কে খবর

আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন এবং আপডেট থাকুন