কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়া জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পূর্বে কুষ্টিয়া নদীয়া জেলার (বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে) অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৮৬৯ সালে কুষ্টিয়ায় একটি পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। হ্যামিলটন'স গেজেট প্রথম কুষ্টিয়া শহরের কথা উল্লেখ করে।
-
মিরপুর
মিরপুরের নামকরণের ক্ষেত্রে সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে কুখ্যাত নীলকর টেলর ও নুডসনের নীল কুটিকে কেন্দ্র করেই মিরপুর গড়ে ওঠে। নীলকুটিকে কেন্দ্রকরেই ১৮২০-১৮২৪ সালে মিরপুর থানা ও মিরপুর তহশীল অফিস স্থাপিত হয় ।
১৮২৮ সালে পাবনা জেলা গঠিত হলে ঐ সময়েই মিরপুর ১ মাইল পূর্বের পাড়া গ্রামে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপিত হয়। ১৮৬৩ সালে মিরপুরসহ এ- অঞ্চলকে কুষ্টিয়া মহকুমার অন্তর্গত করেন নদীয়া জেলা ভূক্ত করা হয়। ১৮৭৮ সালে মিরপুর রেলপথ স্থাপিত হয় এবং উহাকে কেন্দ্র করেই মিরপুর ব্যবসা বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসাবে গড়ে ওঠতে শুরু করে।
-
ভেড়ামারা
রয়েছে হযরত সোলাইমান শাহ্ চিশতির মাজার শরীফ এবং গায়েবী মসজিদ খ্যাত তিন গম্বুজ মসজিদ। ভেড়ামারা উপজেলার নামকরণের কোন সুনির্দিষ্ট ইতিহাস জানা যায় না। তবে লোক মুখে এবং শহুরীগ্রামাঞ্চলে নানা কথার প্রচলন রয়েছে। জানা যায়, ভেড়ামারা এলাকায় অতীতে প্রচুর ভেড়া পালন করা হতো। তৎকালীন ব্রিটিশ আমলে ট্রেন চলাকালীন অবস্থায় ভেড়ামারা ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকায় একযোগে শতাধিক ভেড়া ট্রেনের নীচে পড়ে কাটা পড়ে মারা যায়। সেই সময় ‘ভেড়া’ হতেই ভেড়ামারার নামকরণ করা হয়েছিল ভেড়ার ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য।
-
দৌলতপুর
দৌলতপুর বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি কুষ্টিয়ার শেষ উপজেলা ভারতের পাসে অবস্থিত।
দৌলতপুর উপজেলা কুষ্টিয়া জেলার অধীনে একটি উপজেলা। দৌলতপুর উপজেলার আয়তন ৪৬১বর্গ কিলোমিটার। এর উত্তরে বাঘা ও লালপুর, দক্ষিণে গাংনী ও মিরপুর, পুর্বে ভেড়ামারা ও মিরপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। মাথাভাঙ্গা এবং পদ্মা এই উপজেলার প্রধান নদী। এছাড়া হিসনা নামের আরো একটি নদী দৌলতপুর উপজেলার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
১৯৮৩ সালে দৌলতপুর থানাকে উপজেলা হিসেবে ঘোষনা করা হয়। দৌলতপুর উপজেলায় ১৪টি ইউনিয়ন, ১৬১টি মৌজা ও ২৪২টি গ্রাম রয়েছে।
-
কুমারখালী
চৈতন্যদেবের আমলে কুমারখালীর নাম ছিল তুলসী গ্রাম। নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ এ অঞ্চলের রাজস্ব আদায়ের জন্য কালেক্টর নিযুক্ত করেন কমরকুলি খাঁ কে। তার নাম থেকে আঞ্চলিক সদরের নাম হয় "কুমারখালী"। সাবেক 'কমরখালীর' বিবর্তিত রুপ বর্তমান 'কুমারখালী'।
-
হোটেল সমূহ
কুষ্টিয়া জেলার সরকারী/বেসরকারী হোটেল, রেষ্ট হাউজ, গেষ্ট হাউসের বিবরণ
নিচে যেসব হোটেল সমুহের নাম দেওয়া আছে, আপনি উক্ত কোন হোটেলে অবস্থানে কোন অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাইলে অবশ্যয় উক্ত হোটেলের পেজের নিচে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।
-
হোটেল প্রিতম আবাসিক
হোটেল প্রিতম আবাসিক Hotel Pritom is the first and largest luxurious hotel in Kushtia. We provide the best service for our guest more than anyone. Tourists as well as business travellers will find it very convenient during their stay in Kushtia.
-
রবীন্দ্র সঙ্গীত
রবীন্দ্র সঙ্গীত হল বিশিষ্ট বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ও সুরারোপিত গান। বাংলা সংগীতের জগতে এই গানগুলি এক বিশেষ স্থানের অধিকারী। রবীন্দ্রনাথের জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ও আমার সোনার বাংলা গানদুটি যথাক্রমে ভারতীয় প্রজাতন্ত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। ভারতের জাতীয় স্তোত্র বন্দে মাতরম্ রবীন্দ্রনাথেরই সুরারোপিত।
-
কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়র গণের তালিকা ও সময়কাল
Kushtia municipality mayor list and duration
বাংলাদেশের পুরাতন পৌরসভার ভিতর অন্যতম কুষ্টিয়া পৌরসভা। ১৮৬৯ সালে তৎকালীন প্রশাসক "এফ. ডবলু. গ্রিবল" মাধ্যমে শুরু হয় কুষ্টিয়া পৌরসভা কার্যক্রম। আজ অবধি কুষ্টিয়া পৌরসভা বেশ সুনামের সহিত চলছে।
-
কুষ্টিয়া পৌরসভার ইতিহাস
History of Kushtia Municipality
কোম্পানী আমলে কুষ্টিয়া যশোর জেলার অধীন ছিল। চালতেদহের (বর্তমান গড়াই নদীর) অপর তীরে তালবাড়িয়ার মুখে ডাকদহের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত কুষ্টিয়া থানাকে পদ্মার গ্রাস থেকে রক্ষা করবার এবং নীলবিদ্রোহ-উত্তর বিব্রত বিৃটিশ প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে সুব্যবস্থিত করার লক্ষ্যে মজমপুর গ্রামের উত্তর-পূর্ব ভাগে স্থানান্তর করা হয়।
-
কুষ্টিয়া শিল্প প্রতিষ্ঠান
Kushtia industry
বৃহৎ, মাঝারী, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের জন্য কুষ্টিয়ার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। কুষ্টিয়া বিসিক, পোড়াদাহ, খাজানগর, কুমারখালি, আল্লার দরগা উল্লেখ যোগ্য প্রতিষ্ঠিত শিল্প কলকারখানা রয়েছে। কুষ্টিয়ার পণ্যর চাহিদা রয়েছে সারা বাংলাদেশ এবং বিশ্ব দরবারে। কুষ্টিয়া জেলার চাল, আলু, পিয়াজ, পান, কলা, তামাক, বস্ত্র ইত্যাদি পণ্য ব্যাপক পরিচিত সারা বাংলাদেশ। এক সময় পাট এবং আঁখের জন্যও বিখ্যাত ছিল।
-
দোল পূর্ণিমা উৎসবের আজ শেষ দিন
Dol purnima festival
লালন স্মরণে দোল পূর্ণিমা উৎসবের আজ শেষ দিন। এবারের উৎসবে দেশের সব জেলা থেকেই লালন ভক্তরা ছুটে এসেছে। এছাড়া বাংলাদেশের বাহির থেকেও অনেক লালন ভক্তরা এসে তার ধামে ভিড় জমিয়েছে।
-
দৌলতপুর ইতিহাস
Doulotpur History
দৌলতপুর বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি কুষ্টিয়ার শেষ উপজেলা ভারতের পাসে অবস্থিত।
-
ভেড়ামারার ইতিহাস
- Sub Title: BHERAMARA HISTORY
বাংলাদেশে উপজেলা সদরের মধ্যে অন্যতম এবং গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি ভেড়ামারার। কুষ্টিয়া জেলা সদর হতে ২৩ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত ভেড়ামারা উপজেলা সদর। ১৫৩.৭২ বর্গকিলোমিটার ভূখন্ডের ভেড়ামারা উপজেলায় বসবাস করে ১লক্ষ ৭৫ হাজার ৪৮০ জন মানুষ। এর মধ্যে পুরুষ রয়েছে ৯০ হাজার ৭০০ এবং মহিলা রয়েছে ৮৪ হাজার ৭৮০ জন।
-
মিরপুরের ইতিহাস
Mirpur History in kushtia
কুষ্টিয়ার মিরপুরের নামকরণের ক্ষেত্রে সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে কুখ্যাত নীলকর টেলর ও নুডসনের নীল কুটিকে কেন্দ্র করেই মিরপুর গড়ে ওঠে। নীলকুটিকে কেন্দ্রকরেই ১৮২০-১৮২৪ সালে মিরপুর থানা ও মিরপুর তহশীল অফিস স্থাপিত হয় ।
-
কুমারখালীর ইতিহাস
Kumarkhali History
প্রাচীন জনপদ কুমারখালী। এর ইতিহাস-ঐতিহ্য কুষ্টিয়ার চেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রাচীনতর। তাই ইংরেজ আমলের গোড়ার দিকে কুষ্টিয়ার পরিচয় দিতে বলা হতো "কুমারখালী-কুষ্টিয়া"। বাউলসম্রাট লালন শাহ, সাধক কাঙাল হরিনাথ, মোজাহেদ-নেতা কাজী মিয়াজান, বিপ্লবী-বীর বাঘা যতীন, সাহিত্যরথী মীর মশাররফ হোসেন, প্রজা-আন্দোলনের পুরোধা শামসুদ্দিন আহমদ প্রমুখ কুমারখালী থানার কৃতি সন্তান।
-
বিশিষ্ট লেখক ইতিহাসবিদ শ. ম. শওকত আলী
শ. ম. শওকত আলী (জন্মঃ ১৯৩৯ সালের ৩১শে অক্টোবর, মৃত্যুঃ ২০০১ সালে ২৬শে ডিসেম্বর) কুষ্টিয়ার মাটি ও মানুষের ইতিহাস লিখে যিনি ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন। দেশ বিদেশের কাছে কুষ্টিয়াকে পরিচিত করেছেন। যার কারণে কুষ্টিয়ার মানুষ গর্বিত তিনি হলেন বিশিষ্ট লেখক ইতিহাসবিদ শ. ম. শওকত আলী।
-
আধ্যাত্মিক সাধক মনসুর শাহ্ চিশতী
আধ্যাত্মিক সাধক চিশতীয়া নিয়ামীয়া তরিকার পীর মনসুর শাহ্ চিশতী। ইলমে মারেফাতের জগতে তিনি উচ্চতর ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। আধ্যাত্মিকতার মাধ্যমে তিনি দেশে বিদেশে ভক্ত অনুরাগীদের মাঝে এখনও বেঁচে আছেন।
-
রব ফকির - Rob Fokir
বাউল আব্দুর রব ফকির ওরফে গোপাল শাহ্, কালো রংয়ের খর্বকায় রব ফকির গলায় দোতারা ঝুলিয়ে অপূর্ব ভঙ্গিমায় গান করেন, তাঁর ভাষায় –
"আমার দেহটাই দোতারা, লালনের গানই আমার ধর্ম"। -
ফকির মনোহর শাহ্ - Fokir Monohor Shah
মনোহর শাহ্ এর বাড়ী কুষ্টিয়া জেলার লাহিনী পাড়ায়, তখন তাঁর বয়স সাত কি আট, নিজের পাড়ার এক পাঠশালায় পড়তে যেতেন। পাঠশালা বলতে খড়ের একখানা ঘর, বাঁশের বেঞ্চিতে ৭/৮ জনের ক্লাস।
-
আপন ছুরাতে আদম গঠলেন দয়াময়
- Sub Title: তা নইলে কি ফেরেস্তারে সেজদা দিতে কয়
আপন ছুরাতে আদম গঠলেন দয়াময়।
তা নইলে কি ফেরেস্তারে
সেজদা দিতে কয়।। -
খোদা বিনে কেউ নাই এই সংসারে
- Sub Title: মহা পাপের দায় কে উদ্ধার করে
খোদা বিনে কেউ নাই এই সংসারে
মহা পাপের দায় কে উদ্ধার করে।।
Page 14 of 16
বাংলা
English